রাজশাহী বৃহঃস্পতিবার, ৬ই অক্টোবর ২০২২, ২১শে আশ্বিন ১৪২৯


পত্নীতলায় রহস্যময় আগুনে দগ্ধ গৃহবধুর মৃত্যু


প্রকাশিত:
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১১:৫৩

আপডেট:
৬ অক্টোবর ২০২২ ০৪:০৭

পত্নীতলায় রহস্যময় আগুনে স্বামী- স্ত্রীর দদ্ধের ঘটনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় স্ত্রী হালিমা খাতুনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর ) দুপুরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গৃহবধু হালিমার মৃত্যু হয়। এদিকে অগ্নিকান্ডের ঘটনার কারণ নিয়ে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে।

হালিমার পরিবারের দাবি, রিপন ও স্ত্রী হালিমা প্রতিদিনের মতো ২১ সেপ্টেম্বর বুধবার রাতের খাবার শেষে ঘুমাতে যান। এসময় ঘরের পিছনের জ্বানালা দিয়ে পেট্রোল মিশ্রিত আগুন ছোঁড়ে মারে কে বা কাহারা। এতে মারাত্মক দগ্ধ হয় স্বামী - স্ত্রী দুজনেই।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, এই অগ্নিকান্ডকে পরিবার হত্যাকান্ড বললেও প্রতিবেশীরা বলছে ভিন্ন কথা । তারা বলছেন স্বামী - স্ত্রী উভয়ের বিবাদের ফলে এই ঘটনা ঘটতে পারে। কেননা জানালা দিয়ে ঘরের ভিতরে পেট্রোল মিশ্রিত আগুন দেবার কোন পরিবেশ নেই।

এ বিষয়ে প্রতিবেশী মো: সামাদুল ইসলাম বলেন, আমি বাহিরে বের হয়ে দেখি ঘরে আগুন। রিপন ও তার স্ত্রী হালিমা কেউ ঘরের ভিতরে ছিলোনা। ঘরের আগুন নিভিয়ে স্কুলের পাশে দেখি অনেক লোকজন। সেখানে থেকে তাদের উদ্ধার করে পত্নীতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে দায়িত্বরত ডাক্তার রাজশাহী মেডিকেলে রেফার্ড করেন। তবে তাদের শরীরে কিভাবে আগুন তারা দুজন ছাড়া কেউ বলতে পারবে না।

জানালা দিয়ে পেট্রোল মিশ্রিত আগুন দেবার কোন পরিবেশ নেই। যদি কেউ জানালা দিয়ে পেট্রোল মিশ্রিত আগুন তাদের শরীরে দিতো তাহলে জানালার সাথে লাগানো শোবার খাট ( চৌঁকি ) ও আসবান পত্র ছিলো সেগুলোতে আগুন লাগতো। বিদ্যুতের লাইন ও সৌর বিদ্যুতের ব্যাটারী , জামা - কাপড় ছিলো সেগুলোও আগুন লাগতো, কিন্তু সেগুলো অক্ষত অবস্থায় আছে। আমার কাছে মনে হচ্ছে স্বামী - স্ত্রীর মধ্যে ঝামেলার ফলে স্ত্রী হালিমা নিজের শরীরে আগুন দিলে স্বামী রিপন উদ্ধার করতে গেলে এমন ঘটনা ঘটে।

তিনি আরো বলেন, গতকাল রাতে জানতে পারি তারা রাতের খাবার খেয়ে শুয়েছিল। ঠিক সেই সময় এই ঘটনা ঘটে। আমরা পত্নীতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ফিরে এসে দেখি রান্না করা খাবার ঘরের ভিতর যেমন ভাবে ছিলো ঠিক তেমন ভাবেই আছে।

এ বিষয়ে পত্নীতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি ) শামছুল আলম শাহ জানান, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি। প্রকৃত ঘটনা খুঁজে বের করার জন্য পত্নীতলা থানা পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

Top