রাজশাহী বুধবার, ২০শে অক্টোবর ২০২১, ৬ই কার্তিক ১৪২৮


পত্নীতলায় চৌধুরী পরিবারের একমাত্র মেয়েকে নিয়ে প্রতারণার ফাঁদ


প্রকাশিত:
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২৩:৫১

আপডেট:
২০ অক্টোবর ২০২১ ২১:৫৪

ফাইল ছবি

নওগাঁর পত্নীতলার মধুইল এর ঐতিহ্যবাহী পরিবার হিসাবে পরিচিত চৌধুরী পরিবার। আর এই পরিবারের একমাত্র মেয়েকে নিয়ে ছয় ভাই প্রতারণার ফাঁদ তৈরী করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

চৌধুরী পরিবারের একমাত্র মেয়ে মোছাঃ ফৌজিয়া খাতুন জানান, আমার বাবা ডা. আফতাব উদ্দিন চৌধুরী অত্র এলাকার একজন সন্মানী ব্যক্তি ছিলেন। বাবা ২০০৫ সালে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে আমাদের এতিম করে সৃষ্টিকর্তার ডাকে সারা দিয়ে বিদায় নেন। বাবার মৃত্যুর দীর্ঘদিন পর ২০১৬ সালে বাবার সকল সম্পত্তি আমাদের সকল ভাই বোনদের মাঝে ভাগ বাটোয়ারা করে দলিল করে নেওয়া হয়। আর সেখানেই আমার পাঁচ ভাই ১. মোঃ আব্দুস সালাম চৌধুরী, ২. আখতারুজ্জামান চৌধুরী ( বাবু চৌধুরী ), ৩. ডা. আশরাফুল ইসলাম চৌধুরী, ৪. মোঃ আতাউর রহমান চৌধুরী, ৫.মোঃ আমিনুর রহমান চৌধুরী তৈরী করে প্রতারণার ফাঁদ।

তারা আমার অধিকার বাবার সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার জন্য ভাগ বাটোয়ারা দলিলে ইচ্ছে কৃত ভাবে গোজামিল / ভুল করে। যেখানে আমি গগনশর মৌজাতে ওয়ারিশিং হিসাবে এক একর জমি পাবো। সেখানে আমাকে গোজামিল করে দিয়েছে ৬৬০০+২৫০০০ বর্গ লিংক। যেখানে মূল জমিই হলো ৭ শতাংশ। তারা এই জমিই আবার তারা ৫ ভাই সমান ভাগে ভাগ করে নেয়। যাহার জঝ দাগ নং- ১৩৩, জঝ খতিয়ান নং- ১৫, জে এল নং- ১৪৭। এই ভাগবাটোয়ারা দলিল সংশোধনের জন্য আমি নওগাঁ যুগ্ম জজ কোর্টে মামলা দায়ের করেছি। যাহার মামলা নং ৮০/২০২০।

তিনি আরো জানান, আমার ৬ ভাই ( দুইজন মৃত) বাঁকি ৪ ভাই আমার এই জমিটি বিক্রি করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। আমি একজন মেয়ে মানুষ তাদের সাথে কুলে উঠে পাচ্ছিনা, তাদের কাছে গেলে তারা আমাকে বিভিন্ন জঘন্য খারাপ ভাষায় গালিগালাজ করে। বর্তমানে এমন অবস্থা আমি আমার জমি যেতেই পারিনা। অথচ আমার এই ভাইগুলো এক সময় আমাকে ছাড়া কিছুই বুঝতো না। কুরবানীর সময় বসে থাকতো আমার হাতের রান্না করা মাংস খাবার জন্য। তারাই আমার মাথায় হাত দিয়ে ওয়াদা করে রেজিষ্ট্রী অফিসে নিয়ে গিয়েছে। আর আজ তারাই আমাকে আমার জমিতে যেতে দিচ্ছেনা। আমি আল্লাহর কাছে ও আমার সন্তানদের নিকট কান্না করি আর বলি আমার মৃত্যুর পরে যেন তারা আমার জানাজা ও আমার কবরে মাটি না দেয়। তারা আমাকে এতোটা খারাপ ভাষা বলে গালি দেয় যা প্রকাশ করার মতো না।

আমি এব্যাপারে একজন দেশ প্রেমিক বীর মুক্তিযোদ্ধার অসহায় স্ত্রী হয়ে প্রশাসন ও স্থানীয় জনগণের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি।

 

 

আরপি/এসআর-১৫



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

Top