রাজশাহী বৃহঃস্পতিবার, ২৯শে ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৮ই ফাল্গুন ১৪৩০


কলেজ ছাত্রীকে যৌন হয়রানি, শিক্ষকের ফোনালাপ ফাঁস


প্রকাশিত:
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২৩:০৯

আপডেট:
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২৩:১১

ফাইল ছবি

নাটোরের লালপুরে শফিউর রহমান (৩০) নামে এক স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোচিং সেন্টারে চাকুরীর প্রলোভন দেখিয়ে কলেজ ছাত্রীকে (২০) যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এ ঘটনায় ওই ছাত্রী-শিক্ষকের একাধিক ফোনালাপ ছড়িয়ে পড়েছে।

ফাঁস হওয়া ফোনালাপে শোনা যায়, ভুক্তভোগী ছাত্রীকে ফোন করে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে চাপ দেন ওই শিক্ষক। অভিযুক্ত শফিউর উপজেলার রহিমপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক ও উধোনপারা গ্রামের মতিউর রহমানের ছেলে এবং ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী একই স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থী।

আরও পড়ুন: বাইক চুরি করে পদ খোয়ালেন ছাত্রলীগ নেতা আরিফুল

জানা যায়, গত ১৩ সেপ্টেম্বর সকাল ১১ টার দিকে রহিমপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ওই ছাত্রীকে স্থানীয় একটি কোচিং সেন্টারে চাকুরীর প্রলোভন দেখিয়ে লালপুর বাজারে ডেকে নেন শফিউর। সেখান হতে শাহীনুর ইসলাম নামে একজনের সাথে দেখা করাতে পাশ্ববর্তী উপজেলা ঈশ্বরদীতে যাওয়ার কথা বলে কৌশলে সেখানকার একটি পার্কে নিয়ে যান। সেখানে ওই ছাত্রীকে কু-প্রস্তাব দেন শফিউর।

পরে ওই শিক্ষকের আচারণ অসঙ্গতি মনে হওয়ায় ওই ছাত্রী তার বন্ধুর কাছে মুঠোফোনে তাকে উদ্ধার করতে ক্ষুদেবার্তা পাঠান। পরবর্তীতে তার বন্ধুদের সহযোগীতায় ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়। পরে বিষয়টি ধাপাচাপা দিতে ওই ছাত্রী এবং তার বন্ধুদের মুঠোফোনে হুমকি দেন শফিউর।

স্থানীয় ও অভিভাবকরা, শিক্ষকের এমন কর্মকান্ডে উদ্বেগ জানিয়েছেন। কথোপকথনের রেকর্ড নিয়ে এলাকায় সাধারণের মাঝে চলছে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা। বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষকের এমন মনোভাবে ছাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ছাত্রী ওই শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

তবে অভিযুক্ত শিক্ষক শফিউর রহমান বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, আমাকে পরিকল্পিত ভাবে নারী কেলেঙ্কারিতে ফাঁসোনো হয়েছে। আর ফোনালাপের বিষয়ে জানতে চাইলে সদুত্তর দিতে পারেন নি ওই শিক্ষক।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীকে ঢাকায় আনতে মানা

রহিমপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান মাবুদ আলীর কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে এড়িয়ে যান তিনি।

এ বিষয়ে কথা বলতে লালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীমা সুলতানাকে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।

আর লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উজ্জ্বল হোসেন বলেন, এবিষয়ে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

 

 

আরপি/এসআর-০৮



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

Top