রাজশাহী শুক্রবার, ৪ঠা এপ্রিল ২০২৫, ২২শে চৈত্র ১৪৩১


শরীরে আয়রনের ঘাটতি বুঝার উপায়


প্রকাশিত:
২১ ডিসেম্বর ২০১৯ ০৪:১৭

আপডেট:
৪ এপ্রিল ২০২৫ ০৭:১৯

ফাইল ছবি

আয়রনের ঘাটতি হলে অনেক সমস্যা হতে পারে। হুট করে হাঁপিয়ে গেলে আমরা অনেকেই ব্যাপারটিকে গুরুত্ব দিই না। মনে করি বিশ্রাম করলেই ঠিক হয়ে যাবে। তবে জানেন কি রক্তে আয়রনের ঘাটতি দেখা দেওয়ার অন্যতম লক্ষণ এটি?

আরও যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন
শারীরিক ক্লান্তি ছাড়াও আয়রন ডেফিশিয়েন্সির নানা লক্ষণ রয়েছে। সকালে ঘুম থেকে উঠে শরীরে ক্লান্তি আসলে ফ্যাকাশে ভাব ছড়িয়ে পড়ে মুখে, চোখে। আবার কোষে অক্সিজেনের অভাব দেখা দেওয়ার কারণে অল্পেই হাঁপ ধরে। সঙ্গে রয়েছে মাথা ব্যথা। ত্বকে ফুটে ওঠে রুক্ষতা। গুরুতর ঘাটতি হলে ঠোঁট, জিভ ফুলে ওঠে। কমবেশি এই ধরনের লক্ষণগুলি শরীরে নিয়মিত দেখা দিলে বুঝতে হবে, এ নেহাতই কর্মব্যস্ততার ক্লান্তি নয়। তখন চিকিৎসকের পরামর্শ মতো করাতে হবে হিমোগ্লোবিন পরীক্ষা।


ঘাটতি রোধে করণীয়:
রক্তে আয়রনের মাত্রা বাড়াতে প্রথমেই দরকার এমন খাবার, যাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন।আয়রন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার পাশাপাশি খেয়াল রাখতে হবে, যেন শরীর তা শোষণ করতে পারে। যেমন ভাতের সঙ্গে শাক ভাজা খাওয়ার সময়ে দুই ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে নিন। এতে শরীর আয়রন শোষণ করতে পারবে দ্রুত। পালংয়ের মতো শাক, ব্রকোলি, ডাল, বিন, বাদাম, বেদানা, নানা ধরনের বীজ, ব্রাউন রাইস, নানা সিরিয়াল বা দানাশস্য, হোল হুইট খেতে পারেন। আবার ভিটামিন এ এবং সি সমৃদ্ধ খাবার তালিকায় রাখলে তা আয়রন শোষণ করতে শরীরকে সাহায্য করে।

ভারতীয় পুষ্টিবিদ দীপিকা সিংহ জানান, খাবারে প্রাপ্ত আয়রন দুই ধরনের হয়, হিম আয়রন ও নন-হিম আয়রন। হিম আয়রন পাওয়া যায় মাছ, মাংস, ডিমে। এ ধরনের আয়রনের প্রায় শতকরা ৪০ শতাংশ সরাসরি শরীর শোষণ করতে পারে। আর নন-হিম আয়রন পাওয়া যায় উদ্ভিজ্জ খাবার থেকে। তবে সব আয়রন শরীর শোষণ করতে পারে না।

 

আরপি/আআ



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

Top