রাজশাহী বৃহঃস্পতিবার, ২২শে ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১১ই ফাল্গুন ১৪৩০

ধর্ষনের পর ভিডিও ধারণ

ধর্ষনের মামলায় আটক স্বামী স্ত্রী  ভিডিও ধারণ পড়ে ব্ল্যাকমেইল


প্রকাশিত:
৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ২২:২৬

আপডেট:
২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ১১:২০

ছবি: সংবাদ সম্মেলন

রাজশাহীর চন্দ্রিমায় নারীকে ধর্ষনের পর ভিডিও ধারণ ও মুক্তিপন আদায়ের ঘটনার মূল হোতা আলমগীর রয়েলসহ জড়িত তিন নারীকে গ্রেফতার করেছে র‍‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-৫)। এঘটনায় এনিয়ে মোট ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, নগরীর হেঁতেম খাঁ এলাকার নরুল ইসলামের ছেলে আলমগীর হোসেন রয়েল, রয়েলের স্ত্রী হেলেনা বেগম শ্যালিকা দিলারা বেগম ও আরেক সহযোগী আফজাল হোসেনের স্ত্রী মমতাজ বেগম।

শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১ টায় র‍্যাব-৫ এর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান অধিনায়ক লে: কর্নেল মুনীম ফেরদৌস।

তিনি বলেন, ৭ ফেব্রুয়ারি দুপুরে নগরীর কোর্ট স্টেশন এলাকায় এক নারী তার মোবাইল ফোন হারিয়ে ফেলেন। এসময় ফোন খুঁজে দেবার আশ্বাসে আলমগীর হোসেন রয়েল সেই নারীকে তার সাথে নিয়ে ভদ্রা এলাকার একটি বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে আলমগীর তার স্ত্রী ও স্ত্রীর বোন এবং অন্য আরেক নারীর সহায়তায় সে নারীকে জোর করে ধর্ষণ করে এবং ভিডিও ধারণ করে রাখে। এরপর ভয় দেখিয়ে ভুক্তভোগী নারীর কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা আদায়ের জন্য মুক্তিপন দাবি করে। পরবর্তীতে ভুক্তভোগীর পরিবার র‍্যাবের কাছে অভিযোগ করলে ৮ ফেব্রুয়ারি রাত ৮ টায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে। এসময় তাদের বাড়ি থেকে এই প্রতারণা করে নেওয়া অনেকগুলো চেক ও জমির দলিল উদ্ধার করে।

মুনীম ফেরদৌস বলেন, তারা পরস্পর যোগসাজসে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মহিলাদের ও পুরুষদের বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে ফুসলিয়ে, ভুল বুঝিয়ে তাদের ভাড়া করা বাড়ীতে গোপনে নিয়ে এসে জোরপূর্বক অনৈতিক কার্যকলাপ করতেন। এরপর গোপনে ভিডিও ধারণ শেষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ দাবী করে তাদের নিকট হতে বিভিন্ন মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়ে আত্মসাৎ করতেন। বিশেষ করে তারা বিধবা মেয়েদের টার্গেট করতেন।

তিনি বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামীর নামে ইতিপূর্বে নারী ও শিশু আইনে ১ টি মামলা রয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

 

 

আরপি/যেডএফ

 



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

Top