রাজশাহী বৃহঃস্পতিবার, ২২শে ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১১ই ফাল্গুন ১৪৩০


শেখ হাসিনার স্থান বাংলার জনগণের হৃদয়ে: কাদের


প্রকাশিত:
১ নভেম্বর ২০২৩ ২২:১৪

আপডেট:
২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ০৯:৪২

ফাইল ছবি

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার স্থান বাংলার জনগণের হৃদয়ে। আমরা বরাবরের মতো বিএনপির প্রতি আবারো আহ্বান জানাই- মিথ্যাচারের পথ পরিহার করুন, পরিত্যাগ করুন হত্যা-সন্ত্রাস-খুন-নৈরাজ্য-নাশকতা ও ধ্বংসাত্মক রাজনীতি।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনাকে মিথ্যাচারের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের কোনো সুযোগ নেই। তার (শেখ হাসিনার) অর্জন ও অবদানকে অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। 

বুধবার (১ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে টার্গেট করে বিএনপি নেতাদের বক্তব্যকে ‘শিষ্টাচারবহির্ভূত মিথ্যাচার’ অভিযোগ করে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গু জ্বরে আজও ৭ জনের মৃত্যু, নতুন ভর্তি ১৯০৩

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, গণতন্ত্রের মানসকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ এ দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর। এ দেশে গণতন্ত্রের উন্মেষ, বিকাশ ও প্রতিষ্ঠা যতটুকুই হয়েছে তা আওয়ামী লীগের হাত ধরেই হয়েছে। বিএনপি নিজেদের গণতন্ত্রকামী শক্তি হিসেবে দাবি করলেও মজ্জাগতভাবে তারা গণতন্ত্র ও দেশবিরোধী একটি অপশক্তি। এ কারণেই বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগকে বিএনপি প্রধান শত্রু মনে করে।

ওবায়দুল কাদের অভিযোগ করেন, বিএনপি শুধু সন্ত্রাস চালিয়েই ক্ষান্ত হয়নি, তারা মিথ্যাচার ও অপপ্রচারের মাধ্যমে তথ্য-সন্ত্রাস অব্যাহত রেখেছে। যার মধ্য দিয়ে তাদের চিরাচরিত মিথ্যাচার, অপপ্রচার ও গুজবের প্রকৃত চিত্র ফুটে উঠেছে। এখন তারা ব্যর্থ আন্দোলন নিয়ে বিদেশি প্রভুদের করুণা লাভের চেষ্টা করছে। অবাধ তথ্য-প্রযুক্তি প্রবাহের এ যুগে একজনকে মার্কিন প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা সাজিয়ে গণমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চেয়েছিল এবং দেশ ও জাতিকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছিল; যা জাতির সঙ্গে নির্লজ্জ প্রতারণা ও তাদের দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে চরম বেইমানি।

সেতুমন্ত্রী বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই উগ্র-সাম্প্রদায়িকতা ও সন্ত্রাস বিএনপির রাজনীতির মূল অস্ত্র। এখন তারা (বিএনপি) তথাকথিত নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের আড়ালে পুনরায় সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে। ২৮ অক্টোবর তথাকথিত সমাবেশের নামে বিএনপির সন্ত্রাসী বাহিনী কর্তৃক সংঘটিত তাণ্ডবলীলা গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবি ও সংবাদের মাধ্যমে দেশবাসী প্রত্যক্ষ করেছে। সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রমাণ থাকার পরও বিএনপি নেতারা নির্লজ্জভাবে মিথ্যাচার করছেন। তাদের সন্ত্রাসী ক্যাডাররা কিভাবে হাসপাতাল, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলা চালিয়েছে, পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যদের হত্যা করেছে, তার প্রমাণও প্রকাশিত হয়েছে। তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের চিত্র ধারণ ও প্রচার করায় তারা গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর ন্যক্কারজনকভাবে হামলা চালিয়েছে।

আরও পড়ুন: ‘বিএনপির সন্ত্রাসীদের থেকে সাংবাদিক, পুলিশ, মানুষ কেউই রেহাই পাচ্ছে না’

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সদস্য সচিব রবিউল ইসলাম নয়ন প্রেসের ভেস্ট পরে গাড়িতে আগুন দিয়েছিল; কিন্তু বিএনপির পক্ষ থেকে এই দায় গোয়েন্দা পুলিশের ওপর চাপানোর অপচেষ্টা করা হয়েছিল। তাদের শাক দিয়ে মাছ ঢাকার অপচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। বিএনপির বেপরোয়া সন্ত্রাসী বাহিনী দেশের বিভিন্ন জায়গায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপরও বর্বরোচিত হামলা চালিয়েছে, আওয়ামী লীগের কার্যালয় ভাঙচুর করেছে এবং অসংখ্য যানবাহনে অগ্নিসংযোগ করেছে। তাদের নারকীয় হামলায় লালমনিরহাটে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম শাহাদত বরণ করেছেন, তাদের (বিএনপির) অগ্নিসন্ত্রাসে একজন নিরীহ পরিবহণ শ্রমিক নাইম অসহায়ভাবে মৃত্যুবরণ করেছেন। এছাড়াও সারা দেশে আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এরপরও আমরা দেখেছি, তথাকথিত ৭২ ঘণ্টা অবরোধের নামে নৃশংস হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসন্ত্রাসের মহোৎসবে মেতে উঠেছে বিএনপি।

 

 

 

আরপি/এসআর-০৯



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

Top