রাজশাহী মঙ্গলবার, ১৬ই জুলাই ২০২৪, ২রা শ্রাবণ ১৪৩১


বহিরাগত উচ্ছেদ নিয়ে ঢাবির হলে দফায় দফায় মারামারি


প্রকাশিত:
৮ ডিসেম্বর ২০১৯ ২০:৫৪

আপডেট:
১৬ জুলাই ২০২৪ ১৪:৫৫

বহিরাগত তাড়ানোকে কেন্দ্র করে ঢাবির হলে দফায় দফায় মারামারি - ছবি : নয়া দিগন্ত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম (এসএম) হলে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। হল থেকে বহিরাগত তাড়াতে গিয়ে দুই হল সংসদের মধ্যে দফায় দফায় মারামারির ঘটনা ঘটে। মারামারিতে সুজন (৩০) নামের এক বহিরাগত রক্তাক্ত হয়েছেন।

শনিবার বিকেল ৫টা দিকে এসএম হলের দ্বিতীয় তলার পশ্চিম ব্লকে প্রথমে মারামারির ঘটনা ঘটে। পরে রাত আটটা পর্যন্ত দফায় দফায় মারামারি ও উত্তেজনার ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সলিমুল্লাহ মুসলিম (এসএম) হলের ১৫২ নম্বর কক্ষে হল ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ও হল ইউনিয়নের সমাজসেবা সম্পাদক খান মিলন হোসাইন নিরবের মদদে সুজন (৩০) নামের এক ব্যক্তি প্রায় তিন বছর ধরে অবৈধভাবে থাকছেন। ৮ জনের ওই কক্ষটিতে তারা দুজনই থাকেন বলে শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন।

জানা যায়, বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা সুজনকে রুমে একা পেয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে তার মুখ রক্তাক্ত হয়ে যায়। শিক্ষার্থীরা তার বিছানাপত্র রুম থেকে বের করে দেন। পরে খবর পেয়ে মিলন ছাত্রলীগের খুলনা অঞ্চলের নেতা-কর্মীদের ডেকে লাঠিসোটা ও রড নিয়ে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের ধাওয়া করেন। একপর্যায়ে উভয় গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়।

হট্টগোল শুনে তাৎক্ষণিকভাবে এসএম হলের ভিপি এমএম কামাল উদ্দিন ও ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা তাহসান আহমেদ রাসেল সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন এবং বহিরাগত সুজনকে হল থেকে বের হয়ে যেতে নির্দেশ দেন।

কিছুক্ষণ পরে সন্ধ্যা সাতটার দিকে ফের দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনার ঘটনা ঘটে। এ সময় হলের কয়েকটি জানলায় ভাঙচুর চালান তারা। এ সময় রড নিয়ে বিভিন্ন কক্ষে বহিরাগত বিতাড়নে তল্লাসি চালান হল সংসদের নেতাকর্মীরা।

মারধরের শিকার সুজন বলেন, “আমার বাড়ি পটুয়াখালী কলাচিপায়। আমি বাড়িতেই থাকি। মাঝে মধ্যে এখানে মিলনের রুমে থাকি। তবে তিনি পেশায় কী বা কেথায় পড়াশোনা করেন এ বিষয়ে কোনো কিছু বলতে রাজি হননি ।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে মিলনকে কল দেয়া হলেও রিসিভ না করায় তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। হলের ভিপি কামাল উদ্দিনকে ফোন করা হলে তার ফোন নাম্বার বন্ধ পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে এসএম হলের আবাসিক শিক্ষক অধ্যাপক সাব্বির রহমান সাংবাদিকদের বলেন, এটা এখন সমাধান হয়ে গেছে। তবে এ প্রকৃত ঘটনাটা কী, সেটা তদন্ত করা হচ্ছে। সবকিছু না জেনে বিস্তারিত বলা যাবে না।

 

 

আরপি/এমএইচ



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

Top