দূর্গাপুরে সেপটিক ট্যাংকে পড়ে মারা যাওয়া সেই সোহাগের জিপিএ ৪ দশমিক ২৮

রাজশাহী দূর্গাপুরে টয়লেট হাউজ থেকে মোবাইল তুলতে গিয়ে পড়ে গিয়ে মা ও ছেলের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। নিহত মা ও ছেলে উপজেলার কয়ামাজমপুর গ্রামের চায়ের দোকানদার কুদ্দুস পাইকের ছেলে এসএসসি পরিক্ষার্থী সোহাগ (১৭) ও তার মা ফিরোজা বেগম (৩৮)। নিহত সোহাগ কয়ামাজমপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০২০ সালে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি পরিক্ষা দিয়েছিলেন। রোববার ২০২০ সালে এসএসসি পরিক্ষার ফলাফল প্রকাশ হলে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ ৪ দশমিক ২৮ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা বাবা কুদ্দুস পাইক।
তিনি জানান, ২০২০ সালে কয়ামাজমপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি পরিক্ষা দিয়ে ছিলেন সোহাগ। রোববার এসএসসি পরিক্ষার ফলাফল প্রকাশ হলে জানতে পারি আমার ছেলে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে উত্তীর্ণ হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার সাড়ে ৭ টার দিকে দূর্গাপুর উপজেলার ২ নং কিসমত গনকৈড় ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড কয়ামাজমপুর গ্রামে চায়ের দোকানদার কুদ্দুস পাইকের ছেলে সোহাগ (১৭) টয়লেটে গিয়ে তার স্মাট ফোন টয়লেটের হাউজের মধ্যে পড়ে যায়।
সেই মোবাইল তুলতে গিয়ে টয়লেটের হাউজের মধ্যে পড়ে যায়। এসময় তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে তার মা ফিরোজা বেগম (৩৮) হাইজের মধ্যে পড়ে মৃত্যু বরণ করে। বৃহস্পতিবার রাত ১২ টার দিকে কয়ামাজমপুর হাইস্কুল মাঠে তাদের মা ও ছেলের জানাজার নামায শেষে তাদের পারিবারিক কবর স্থানে তাদের দাফন করা হয়।
আরপি/এমএএইচ
বিষয়: রাজশাহী সেফটি ট্যাঙ্ক সোহাগ জিপিএ ৪.২৮
আপনার মূল্যবান মতামত দিন: