রাজশাহী বৃহঃস্পতিবার, ৩রা এপ্রিল ২০২৫, ২১শে চৈত্র ১৪৩১

করোনা আতঙ্কেও পুঠিয়ার আইএফআইসি ব্যাংকে উপচে পড়া ভিড়


প্রকাশিত:
১১ মে ২০২০ ০১:২৯

আপডেট:
৩ এপ্রিল ২০২৫ ২২:৪৯

পুঠিয়ার আইএফআইসি ব্যাংকে উপচে পড়া ভিড়

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা এবং জনসমাবেশ এড়িয়ে চলার নির্দেশনা থাকলেও রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বেশ কয়েকটি ব্যাংকে লেনদেন এর সময় মানা হচ্ছে না কোন ধরণের সামাজিক দূরত্ব।

ব্যাংকিং সেবা নিতে ভিড় করতে দেখা যায় প্রায় শতাধিক মানুষের। করোনার বিস্তার ঠেকাতে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতের নির্দেশনা থাকলেও রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার ব্যাংকগুলোতে বাড়ছে আগত গ্রাহকদের ভিড়।

সেবা নিতে আসা লোকজন মানছেন না সামাজিক দূরত্ব। ব্যাংক গুলোতে প্রতিদিন চোখে পড়ে মানুষের জটলা। এ নিয়ে ব্যাংক কর্তৃপক্ষেরও নেই ‘মাথাব্যথা।’ অপরদিকে নিরাপদ দূরত্বে একজন করে সেবা দিলেও বাইরে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র।

ঠেলাঠেলিতে অপেক্ষমাণ গ্রাহকদের নেই সুরক্ষা ব্যবস্থা। কে আগে সেবা নেবেন এ নিয়ে প্রতিযোগিতা লেগে থাকে গ্রাহকদের মধ্যে। রোববান (১০ মে) দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর শাখার আইএফআইসি ব্যাংকে দেখা যায়, শারীরিক দূরত্ব না মেনে গাঁঘেষে লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার চিত্র।

বানেশ্বর শাখাটি দ্বিতীয় তলায় হওয়ায় ভবনের নিচতলায় প্রায় শতাধিক গ্রাহক শারীরিক দূরত্ব না মেনে গাঁ ঘেষে লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে আছে। সিঁড়ি বেয়ে এক এক করে ব্যাংকের ভেতরে গিয়ে টাকা তুলছে গ্রাহকরা। বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদরাসার শিক্ষক ও বিভিন্ন পেশার গ্রাহকেরা টাকা তুলতে এভাবে লাইনে দাঁড়িয়েছেন। শারীরিক দূরত্ব মানতে কারো কোনো সচেতনতা নেই।

এ বিষয়ে পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর শাখার আইএফআইসি বানেশ্বর ব্যাংকের ম্যানেজার মোঃ শাহাজান আলী জানান, গ্রাহকদের শারীরিক দূরত্ব মানতে আমরা প্রতিনিয়তই নির্দেশনা দিচ্ছি। ব্যাংকের ভেতর আমরা শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার চেষ্টা করছি।

কিন্তু কিছু গ্রাহক বললেও কথা শোনেনা,তারা একাসাথে হয়ে গাদাগাদি করে দাঁড়ায়। বিষয়টা উর্ধতন কর্তৃপক্ষ জানিয়ে আরো সুরক্ষার ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

 

 

আরপি / এমবি



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

Top