রাজশাহী সোমবার, ৫ই ডিসেম্বর ২০২২, ২১শে অগ্রহায়ণ ১৪২৯

জন্মের পর থেকেই কন্যাশিশুরা প্রতিটি ক্ষেত্রে নির্যাতিত


প্রকাশিত:
৪ অক্টোবর ২০২২ ১৮:১৭

আপডেট:
৫ ডিসেম্বর ২০২২ ০৩:৫২

সংগৃহিত

মায়ের গর্ভে শিশুর কোনো বৈষম্য থাকে না। তবে জন্মের পরই সমাজ ও পরিবার থেকে বৈষম্য শুরু হয়। এই ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি অবহেলিত কন্যা শিশুরা বলে মন্তব্য করেছেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সাবিহা সুলতানা।

মঙ্গলবার (৪ অক্টোবর) দুপুরে রাজশাহী মানব সম্পদ উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব মন্তব্য করেন। জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে রাজশাহী জেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদফতর যৌথভাবে এ সভার আয়োজন করে।

সাবিহা সুলতানা বলেন, আমাদের দেশের মানুষের ৪০ শতাংশ শিশু। তার অর্ধেকই হলো কন্যা শিশু। কন্যা শিশুরা এমনভাবে বেড়ে উঠে যে তারা প্রতিবাদ করতে শিখে না। আর এ কারণে তারা প্রতিটি ক্ষেত্রে নির্যাতিত হয়।

কন্যা শিশুকে সুশিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কোভিডের সময় স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকার কারণে বাল্য বিবাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। একটি ভুল কারও সারা জীবনের কান্না। অবশ্যই বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ করতে হবে। বাল্যবিবাহের কারণে নারীরা সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত হচ্ছে। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়াতে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে প্রয়োজনে ৯৯৯-এ ফোন করার পরামর্শ দেন তিনি।

সকল ক্ষেত্রে মেয়েরা ভালো করছে উল্লেখ করে সাবিহা সুলতানা বলেন, মেয়েদের যদি সঠিকভাবে যত্ন নেয়া হয় তবে তারা দেশের উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রশাসন, রাজনীতি এবং খেলাধুলাতেও নারীদের অবদান লক্ষ্যণীয়।

রাজশাহী মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের উপ-পরিচালক শবনম শিরিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন রাজশাহীর জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সাবিহা সুলতানা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজগর আলী খান।

আরপি/ এসএইচ

 



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

Top