ভেজাল গুড় ও বাংলা মদের কারখানায় পুলিশের হানা, গ্রেফতার দুই
24-04-22-2022-04-25-12-13-45.jpg)
রাজশাহীতে পৃথক অভিযান চালিয়ে ৫০০ লিটার বাংলা মদ ও ১৩৫ কেজি গুড় উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে জেলার বাঘা উপজেলার চকরাজাপুর ইউনিয়নের পলাশী ফতেপুর ও আড়ানী এলাকার শাহাপুর গ্রামে এসব অভিযান চালানো হয়।
অভিযানকালে পলাশী ফতেপুর গ্রামে বাংলা মদ ও আড়ানী এলাকায় ভেজালগুড় তৈরির উপকরণসহ ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলো: উপজেলার পলাশী ফতেপুর গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে আব্দুল হালিম (৪৪) ও মৃত জমশের খানের ছেলে কামরুল ইসলাম খান (৩৫)।
বাঘা থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার দুপুরে উপজেলার পদ্মার চরাঞ্চলের পলাশী ফতেপুর গ্রামে বাংলা মদ তৈরীর কারখানায় অভিযান চালায় বাঘা থানা পুলিশ। অভিযানকালে আসামী হালিম ও কামরুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় ১০ টি নীল রংয়ের প্লাস্টিকের ড্রামে প্রায় ৫০০ লিটার চোলাই মদ এবং মদ তৈরীর নানা উপকরণ জব্দ করা হয়।
এদিন অপর এক অভিযানে উপজেলার আড়ানী পৌর এলাকার সাহাপুর গ্রামের রাজনের বাড়িতে অভিযান চালায় বাঘা পুলিশ। এসময় ৩টি নীল রংয়ের প্লাস্টিকের ড্রামে ৪৫ কেজি করে মোট ১৩৫ কেজি ভেজাল খেজুরের ঝুলা গুড় উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ঝুলা গুড়ের আনুমানিক মূল্য প্রায় ১০ হাজার টাকা।
অভিযানকালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে রাজন বাড়ির পেছন দিক দিয়ে পালিয়ে যায়। এ সময় পুলিশ ভেজাল গুড় তৈরীর কাজে ব্যবহৃত পাথরের চুন, সোডা, ফিটকারি এবং রং উদ্ধার করা হয়। এঘটনায় পলাতক আসামী রাজনসহ অজ্ঞাতনামা আরো ২/৩ জনের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলা দায়ের হয়েছে বলেও পুলিশ সূত্রে জানা যায়।
বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাজ্জাদ হোসেন জানান, বর্তমানে উপজেলার সমতল এলাকার চেয়ে পদ্মার চরাঞ্চলে বেশি অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। গত কয়েক মাসে চরাঞ্চল থেকে একাধিক আসামীসহ বেশ কিছু গাঁজা এবং মাদক উদ্ধার করা হয়েছে। রোববারে পৃথক দুই ঘটনায় পৃথক মামলাসহ গ্রেফতারকৃত আসামীদের আদালতে প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে।
এছাড়াও পলাতক আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান ওসি।
আরপি/এসআর-০২
আপনার মূল্যবান মতামত দিন: