রাজশাহী শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৩ই ফাল্গুন ১৪৩০


জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা নভেম্বরে


প্রকাশিত:
৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ০৬:৩১

আপডেট:
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ০৬:৩৮

ফাইল ছবি

আগামী নভেম্বরে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আনিছুর রহমান।

তিনি বলেছেন, ‘আগামী ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহ অথবা জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে। নভেম্বর মাসে তফসিল ঘোষণা করবে কমিশন।’

শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

গতবছরের ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব নেয়া কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে আগামী নির্বাচন কবে করতে চায় সে কথা জানিয়েছে। ডিসেম্বরের শেষ দিকে বা পরের বছরের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ভোটের কথা শুরুতে বলা হয়েছিল।

অবশ্য উপনির্বাচনের দিনে সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল জানিয়েছিলেন, ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হবে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন।

এসময় তিনি ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটের বিষয় নিয়ে বলেন, ইসির হাতে থাকা ইভিএম দিয়ে ৫০ থেকে ৭০টি আসনে ইভিএম পদ্ধতিতে নির্বাচন হতে পারে।

প্রসঙ্গত, আগামী সংসদ নির্বাচনে ইভিএমে ভোটগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ইসি। ইসির হাতে থাকা ইভিএম ও নতুন করে প্রায় দুই লাখ মেশিন কেনার পর সর্বোচ্চ ১৫০টি আসনে ইভিএমে ভোট করার পরিকল্পনা ছিল ইসির। কিন্তু সম্প্রতি বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার কথা জানিয়ে ইভিএমের নতুন প্রকল্প স্থগিত করেছে পরিকল্পনা কমিশন। তাই ইসির হাতে থাকা ইভিএম দিয়ে যতটা আসনে ভোট করা যায় সেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। বাকি আসনে আগের মতো ব্যালটে ভোট করবে কমিশন।

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ছয় আসনের উপনির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি কম হওয়া প্রসঙ্গে আনিছুর রহমান বলেন, সম্প্রতি উপনির্বাচনে ঠাকুরগাঁওয়ে ৪৬ শতাংশ ভোট পড়েছে। তীব্র শীত উপেক্ষা করে মানুষ ভোট দিয়েছে। এটা আমাদেরকে উৎসাহিত করেছে। মানুষ ভোটে ফিরে আসছে। ভোটে আস্থা সৃষ্টি করা আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ। আগের ভোটগুলোতে আস্থার সংকট সৃষ্টি হয়েছিল। সে সংকট থেকে উত্তরণের জন্য আমরা চেষ্টা করছি।

ভোটারদের আরও উৎসাহিত করতে ইসির পক্ষ থেকে পদক্ষেপ নেয়ার কথা জানিয়ে আনিছুর রহমান বলেন, ভোটারদের ভোট দিতে উৎসাহিত করতে পারবো এ আশা নিয়েই আগামী নির্বাচনের আয়োজন করতে যাচ্ছি। আরও কিছু নতুন পদক্ষেপ নিয়ে কমিশন চিন্তা করছে। এখনই এগুলো জনসম্মুখে প্রকাশ করছি না। যথাসময়ে জানতে পারবেন।

এসময় তিনি বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, আমার বিশ্বাস বড় সব দল নির্বাচনে অংশ নেবে। অবাধ সুষ্ঠু অংশগ্রহণ মূলক নির্বাচন করতে যা যা করা দরকার সবই আমরা করব।

অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দের হাতে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র তুলে দিয়ে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন কমিশনার আনিছুর রহমান।

মাসব্যাপী বিভিন্ন ইউনিয়নে ক্যাম্প করে সাধারণ ভোটারের মাঝে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র পৌঁছে দেওয়া হবে বলে জানানো হয় অনুষ্ঠানে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক পারভেজ হাসান। পুলিশ সুপার সাইফুল হক, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সোহেল সামাদ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 

 

আরপি/এসআর-০২



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

Top