রাজশাহী সোমবার, ২২শে এপ্রিল ২০২৪, ১০ই বৈশাখ ১৪৩১


রামেক করোনা ইউনিটে আরও চার মৃত্যু


প্রকাশিত:
২৯ জানুয়ারী ২০২২ ২১:৪৯

আপডেট:
২২ এপ্রিল ২০২৪ ১৫:১৮

প্রতীকী ছবি

গত একদিনে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) সকাল ৯ টা থেকে শনিবার (২৯ জানুয়ারি) সকাল ৯টার মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।

এদের মধ্যে করোনা আক্রান্ত হয়ে দুইজন মারা গেছেন। যাদের একজনের বাড়ি নওগাঁ জেলায় ও অন্যজন রাজশাহী জেলার বাসিন্দা। এছাড়াও করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া দু'জনই রাজশাহী জেলার বাসিন্দা।

অন্যজন করোনা সংক্রমণের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন। করোনায় মারা যাওয়া রোগী কুষ্টিয়া জেলার বাসিন্দা। এছাড়াও উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া রোগী পাবনা জেলার বাসিন্দা ছিলেন। তারা দু'জনই রামেকের ২৯/৩০ নং ওয়ার্ডে ভর্তি ছিলেন।

রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, গত ২৪ ঘন্টায় রামেক হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত হয়ে দুইজন ও উপসর্গ নিয়ে দুইজন মোট চার জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে হাসপাতালের ২৯/৩০ নং ওয়ার্ডে তিনজন ও নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) একজন চিকিৎসাধীন ছিলেন।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে (শনিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত) ১০৪ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের করোনা ইউনিটে রোগী ভর্তি রয়েছেন ৫১ জন। যেখানে গতকালও ৪৯ জন রোগীই চিকিৎসাধীন ছিলেন।

এদের মধ্যে রাজশাহীর ২৮ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৭ জন, নওগাঁর ৩ জন, নাটোরের ৩ জন, পাবনার ৩ জন, কুষ্টিয়ার ৩ জন, সিরাজগঞ্জের ১ জন, রাজবাড়ির ১ জন, মেহেরপুরের ১ জন ও ঝিনাইদহের ১ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

চিকিৎসাধীনদের মধ্যে করোনা শনাক্ত হয়েছে ২৮ জনের শরীরে। করোনার উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রয়েছেন ২০ জন। এছাড়াও করোনা পরীক্ষায় নেগেটিভ এসেছে ৩ জনের শরীরে। ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ভর্তি হয়েছে ৪ জন রোগী। এদিন সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরেছেন ৪ জন রোগী।

এছাড়াও শুক্রবার রামেক হাসপাতাল ল্যাবে ৯৪ জনের করোনার নমুনা পরীক্ষা করে করোনা ধরা পড়েছে ৫৭ জনের শরীরে। একই সময়ে রামেক ল্যাবে ১৮৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করে করোনা ধরা পড়েছে ১২০ জনের শরীরে।

এদিন মোট ২৮০ জনের নমুনা পরীক্ষা করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ১৭৭ জনের শরীরে। এদিন রাজশাহীতে করোনা শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে ৬৩.২১শতাংশে। একদিন আগেও যেই সংখ্যা ছিল ৭৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ।

 

 

আরপি/এসআর



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

Top