রাজশাহী বৃহঃস্পতিবার, ৪ঠা মার্চ ২০২১, ২১শে ফাল্গুন ১৪২৭


আজ জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস


প্রকাশিত:
৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ১৫:৩১

আপডেট:
৪ মার্চ ২০২১ ১৫:১৪

ফাইল ছবি

শতাব্দী থেকে শতাব্দী ধরে মানুষের সব জ্ঞান জমা হয়ে রয়েছে বইয়ের ভেতরে। অন্তহীন জ্ঞানের উৎস হলো বই, আর সেই বইয়ের আবাসস্থল হলো পাঠাগার বা গ্রন্থাগার। জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস আজ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদের সভায় ৫ ফেব্রুয়ারিকে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস হিসেবে ঘোষণা করেন। এর ফলশ্রুতিতে ২০১৮ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি প্রথমবারের মতো জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস উদযাপন করা হয়। আজ পালিত হচ্ছে চতুর্থ জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস।

এ ব্যাপারে বৃহস্পতিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) শাহবাগে জাতীয় গ্রন্থাগার অধিদপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ জানান, শুক্রবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৩টায় সারাদেশে একযোগে শুরু হবে গ্রন্থাগার দিবস পালনের আয়োজন। কেন্দ্রীয় গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে উদ্বোধনী আয়োজন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। প্রধান অতিথি থাকবেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সিমিন হোসেন রিমি।

কে এম খালিদ জানান, সারা দেশে ৭১টি গণগ্রন্থাগার আছে। সেগুলো ডিজিটালাইজেশনের কাজ চলছে। এর ফলে সকল লাইব্রেরির তথ্য একটি জায়গাতেই পাওয়া যাবে। ধীরে ধীরে দেশের বেসরকারি লাইব্রেরিগুলোকেও এই কার্যক্রমের আওতায় আনা হবে।

বলা হয়, মানুষের বই পড়ার আগ্রহ থেকেই গ্রন্থাগারের উৎপত্তি। গ্রন্থাগার একটি জাতির বিকাশ ও উন্নতির মানদণ্ড। প্রমথ চৌধুরীর মতে, ‘লাইব্রেরি হচ্ছে এক ধরনের মনের হাসপাতাল।’

পাঠাগার শুধু ভালো ছাত্রই নয়, ভালো মানুষও হতে শেখায়। বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা ছাড়া জাতীয় চেতনার জাগরণ হয় না। আর তাই গ্রন্থাগারের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।

জনগণকে গ্রন্থাগারমুখী করা, পাঠাভ্যাস বৃদ্ধি, মননশীল সমাজ গঠনের কেন্দ্রবিন্দু ও জনগণের বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে লাইব্রেরির ভূমিকাকে দৃঢ় করাই জাতীয় গ্রন্থাগার দিবসের লক্ষ্য।

১৯৬৫ সালে বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় গ্রন্থাগার স্থাপিত হয়। ১৯৭৮ সালের ২১ জানুয়ারি ঢাকার শেরেবাংলা নগরে এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়। ১৯৮৫ সালে ডাইরেক্টরেট অব আর্কাইভস অ্যান্ড লাইব্রেরিজ হিসেবে কার্যক্রম শুরু হয়। বাংলাদেশ জাতীয় গ্রন্থাগারে বইয়ের সংখ্যা প্রায় ৭ লাখ। ১৯৯৬ সাল থেকে এ গ্রন্থাগার থেকে আইএসবিএন দেওয়া হচ্ছে।

অন্যদিকে ১৯৫৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় প্রতিষ্ঠিত হয় সকলের জন্য উম্মুক্ত একটি গণগ্রন্থাগার (Public Library)। ১৯৭৭-৭৮ সালে গ্রন্থাগারটি শাহবাগের নতুন ভবনে স্থায়ীভাবে স্থানান্তরিত হয়। এ গ্রন্থাগার দেশের সকল জেলা উপজেলায় একটি করে গ্রন্থাগার স্থাপন করেছে।

 

 

আরপি/এসআর-০২



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

Top