রাজশাহী রবিবার, ২৭শে নভেম্বর ২০২২, ১৩ই অগ্রহায়ণ ১৪২৯


বিদ্যালয়ের পানি পান করে ৬০ শিক্ষার্থী হাসপাতালে


প্রকাশিত:
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১৯:১৮

আপডেট:
২৭ নভেম্বর ২০২২ ০৪:৪৪

সংগৃহিত

ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে একটি বিদ্যালয়ে টিউবওয়েলের পানি পান করে ৬০ জন শিক্ষার্থী হাসপাতালে ভর্তির ঘটনা ঘটেছে।

বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার শিতলপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হরিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) মোহম্মদ আসাদুজ্জামান।

তিনি জানান, বিদ্যালয়ের পানি পান করার পর প্রথমে চার জন ও পরে আরও তিনজন হাসপাতালে আসেন পেট ব্যাথা ও বমির লক্ষণ নিয়ে। তাদের মাঝে তিনজন বেশি অসুস্থ। এই সাত জনের অসুস্থতা দেখে মনে হয়েছে টিউবওয়েলের পানিতে খুব ভারি বিষ জাতীয় কিছু মেশানো হয়নি। তবে ছত্রাক নাশক কোন রাসায়নিক মিশ্রিত পানি পানে এ ধরনের লক্ষণ দেখা যেতে পারে।

চাঁদা না দেওয়ায় মালবাহী ট্রলারে আগুনচাঁদা না দেওয়ায় মালবাহী ট্রলারে আগুন
আরএমও বলেন, আমরা পানি সংগ্রহ করেছি। তার নমুনা আগামীকাল ঢাকা পাঠানো হবে পরীক্ষার জন্য। এই ৭ জনের বাইরে যারা এসেছেন তারা আতঙ্কিত হয়ে ভর্তি হয়েছেন। আমরা সকলের চিকিৎসা দিচ্ছি। ৬০ জনই এখন শঙ্কা মুক্ত।
বিদ্যালয়ের পানি পান করে ৬০ শিক্ষার্থী হাসপাতালে। ছবি- ইত্তেফাক
বিদ্যালয়ের পানি পান করে ৬০ শিক্ষার্থী হাসপাতালে। ছবি- ইত্তেফাক

নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাদিয়া বলেন, পিপাসা লাগলে কয়েকজন বান্ধবী মিলে পানি পান করি। টিউবওয়েলের পানি পান করার পর থেকে পেট ব্যাথা করতে শুরু করে। ধীরে ধীরে ৩০ মিনিটের মধ্যে অসুস্থতা বোধ করি। তখন স্কুল থেকে ভ্যানে করে হাসপাতালে নেওয়া হয় আমাদের।

এ বিষয়ে জানতে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আলতাফুর রহমান বলেন, স্কুলে পিটির পর এক ক্লাস শেষে ছাত্রীরা পানি করার পর এ ঘটনা ঘটে। সে সময় আমি স্কুলে ছিলাম না৷ স্কুলে ক্লাস বসিয়ে দিয়ে মেয়েকে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছে দিতে গিয়েছিলাম। এটি একটি ন্যক্কারজনক ঘটনা দাবি করে তিনি জোর তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলেছেন প্রশাসনকে।

হরিপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার রাইহানুল ইসলাম মিঞা বলেন, স্কুলে টিউবওয়েলের পানি পান করে ৬ জনের মতো শিক্ষার্থী প্রথমে অসুস্থতার খবর পাওয়া যায়। স্কুল কর্তৃপক্ষকে টিউবওয়েলের পানি পান বন্ধে ব্যবস্থা নিতে বলেন এবং পুলিশকে জানাতে বলেন। তবে বর্তমানে হাসপাতালে ৩০ জনের মতো শিক্ষার্থী চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাদের খোঁজ নিতে গিয়ে এবং চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারেন তারা শঙ্কা মুক্ত। তবে এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

হরিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ তাজুল ইসলাম বলেন, ধারণা করা হচ্ছে বিদ্যালয়ের টিউবওয়েলে কোন বিষ জাতীয় কিছু মেশানো হয়েছে। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এমনটি জানিয়েছেন। আমরা ঘটনা তদন্ত করছি।

আরপি/ এসএইচ

 



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

Top