রাজশাহী মঙ্গলবার, ২৯শে নভেম্বর ২০২২, ১৬ই অগ্রহায়ণ ১৪২৯


ভোর থেকে কুমিল্লা-সিলেট রুটে বাস চলাচল বন্ধ


প্রকাশিত:
৫ অক্টোবর ২০২১ ০২:৩৬

আপডেট:
২৯ নভেম্বর ২০২২ ০৬:৫৬

ছবি: প্রতিবাদ সভা

কুমিল্লা-সিলেট রুটে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে কুমিল্লা পরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ। মঙ্গলবার (৫ অক্টোবর) ভোর থেকে এ ঘোষণা কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন ওই সংগঠনের নেতারা।

নীতিমালা লঙ্ঘন করে ওই রুটে রয়েল সুপার সার্ভিস নামে একটি পরিবহন যাত্রীসেবা দেওয়ার কারণে ওই সংগঠনের আদর্শ সদর উপজেলার দুর্গাপুরে সোমবার (৪ অক্টোবর) দুপুরে দি কুমিল্লা মোটর অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান কার্যালয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়।

পরিবহন মালিক গাজী শাহজাহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য দেন পরিবহন মালিক ও দি কুমিল্লা মোটর অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. তাজুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক খলিলুর রহমান, সহসম্পাদক কামাল উদ্দিন, শ্রমিক নেতা শহিদুর রহমান, মফিজুল ইসলাম ও আনিসুর রহমানসহ অন্যান্য নেতারা।

তারা বলেন, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কুমিল্লা থেকে সিলেটগামী কুমিল্লা ট্রান্সপোর্টের সব বাস চলাচল বন্ধ থাকবে। একই সঙ্গে কুমিল্লা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কুটি পর্যন্ত সুগন্ধা পরিবহনের বাস চলাচলও বন্ধ থাকবে।

বক্তারা আরও বলেন, রয়েল সুপার সার্ভিস চট্টগ্রাম থেকে সিলেট রুটে বাস চলাচলের অনুমতি নিয়ে বাস নামায়। কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার কোম্পানীগঞ্জের জহির খান নামের এক পরিবহন ব্যবসায়ী ওই বাস নামিয়েছেন। কিন্তু বাস চলাচলের নীতিমালা লঙ্ঘন করে রয়েল সুপার সার্ভিস চট্টগ্রাম থেকে বাস না ছেড়ে কুমিল্লার ময়নামতি থেকে বাস সিলেটের উদ্দেশে ছাড়ে। এতে কুমিল্লা ট্রান্সপোর্ট ও সুগন্ধা পরিবহন যাত্রীসংকটে পড়বে। এ অবস্থায় রয়েল সুপার সার্ভিসের রুট পারমিট বাতিল করতে হবে, অন্যথায় আরও কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

মো. তাজুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে সিলেট রুটে যাত্রীদের সেবা দিয়ে আসছে কুমিল্লা ট্রান্সপোর্ট ও সুগন্ধা পরিবহন। প্রতিদিন অন্তত ৩/৪ হাজার যাত্রী তাদের সেবা নিয়ে থাকেন। ওই দুই পরিবহনের সঙ্গে ছয় শতাধিক শ্রমিক জড়িত, যাদের জীবন–জীবিকা ও সংসার চলে এ দুই পরিবহন ঘিরে। কিন্তু মাঝপথে একটি বাস যাত্রী পরিবহনের কারণে গোটা রুটের শৃঙ্খলা নষ্ট করছে। এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে সম্প্রতি বিভিন্ন দপ্তরে স্মারকলিপি দাখিল করা হলেও কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

এ বিষয়ে রয়েল সুপার সার্ভিসের স্বত্বাধিকারী জহির খান বলেন, আমি রুট পারমিট নিয়েই বাস পরিচালনা করছি, এর বেশি কিছু বলতে চাই না। ’

বিআরটিএ-কুমিল্লার সহকারী পরিচালক আবু আশরাফ সিদ্দিকী বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

 

 

আরপি/এসআর-০৪



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

Top