রাজশাহী শুক্রবার, ৪ঠা এপ্রিল ২০২৫, ২২শে চৈত্র ১৪৩১

নৌকার বিদ্রোহী প্রার্থী কারণ বললেন পিয়ার জাহান


প্রকাশিত:
২৬ নভেম্বর ২০২১ ০৬:৫২

আপডেট:
২৬ নভেম্বর ২০২১ ০৭:০২

ছবি: প্রতিনিধি

আগামী ২৬ ডিসেম্বর ভোলাহাট উপজেলার চারটি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ইউনিয়ন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মনোনয়ন দিতে ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের নিয়ে সভার মাধ্যমে গণতান্ত্রিক ভাবে ভোলাহাট ইউনিয়নের ৫জনের নাম তালকাভূক্তকরে কেন্দ্রে প্রেরণের সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু চক্রান্ত করে একজনের অর্থাৎ মোঃ আব্দুল খালেকের নাম পাঠানো হয়। এতে জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এ জন্য আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে ভোলাহাট ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যানের ভোট করছি বললেন উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ পিয়ার জাহান।

২৫ নভেম্বর বেলা ১১ টার দিকেমনোনয়ন ফরম জমা দেয়ার পূর্ব মুহূর্তে উপজেলা পরিষদ সংলঘন রামেশ্বর হাই স্কুল মাঠে ভোলাহাট ইউনিয়নের ভোটারদের সামনে এ সবকথা বলেন।

তিনি বলেন, এরপূর্বেও এমন ঘটনা ঘটনা ঘটিয়েছিলেন তাঁরা। আমি বিপুল ভোটে বিজয়ী হবো বলে এ সময় জানান। তিনি আরো বলেনগরিব দুখি মানুষদের পাশে থেকে বিনা টাকায় সরকারের সকল সুবিধা দ্বারে দ্বারে পৌঁছে দিবো।

তিনি সকল ভোটারের দোয়া কামনা করেন। এর পর ভোটারদের সাথে করে রির্টানিং অফিসারের কাছে গিয়ে তাঁর চেয়ারম্যান পদের মনোনয়ন ফরম জমা দেন।

 

আরপি/ এমএএইচ-১৩

 

 

ছবি: সংগৃহীতরাখি মন্ডল। বয়স প্রায় ১০৭ বছর অতিক্রম করেছে। স্বামী রিকাত মন্ডল অনেক আগেই মৃত্যু বরণ করেছেন। রাখি মন্ডল এখন শ্রবণ শক্তিও হারিয়েছেন। দুই সন্তানের অযন্ত অবহেলায় পরপারের অপেক্ষায় রয়েছেন তিনি। আশ্রয় হয়েছে নিজ বাড়ির একটি ভাঙ্গা ছুপরি ঘরে।

অথচ দুই ছেলে থাকেন রঙ্গিন দালান কোঠায়। এই অমানবিক ঘটনাটি ঘটেছে নাটোর জেলার গুরুদাসপুর উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়নের দাদুয়া গ্রামে।

রাখি মন্ডল ও তার স্বামী মৃত-রিকাত মন্ডল এক সময় জীবনের সবটুকু শ্রম দিয়েছেন পরিবারের জন্য। করেছিলেন নিজস্ব কিছু জমিও। অথচ বৃদ্ধ বয়সে স্যাত-সেঁতে পাঁচ হাতের মধ্যে তৈরি একটি পাট কাঠির ছুপরি ঘরে জীবন কাটাতে হচ্ছে তাকে। এখন তার বেঁচে থেকেও পরপারের দিন গুনতে হচ্ছে।

বুধবার ২৪ নভেম্বর সন্ধায় সরেজমীনে গিয়ে দেখাযায় ও স্থানীয়রা জানান, দুই ছেলে রয়েছে রাখি মন্ডলের। বড় ছেলে আনছার মন্ডল ও ছোট ছেলে ছামছু মন্ডল। তাদেরও ছেলে মেয়ে হয়েছে। সব গুলোকেই বিয়ে দিয়ে নিজ বাড়িতে দালান কোঠায় রেখেছেন।

সন্তানদের ভবিষ্যৎ চিন্তায় কঠোর পরিম্রম করে গড়েছিলেন চাষাবাদ করার জন্য কিছু জমি ও বসত ভিটা। অনেক কষ্ট করে দুই সন্তানকে বড় করেছিলেন। অথচ সেই সন্তানরাই এখন তাকে অযন্ত অবহেলায় ফেলে রেখেছে। দেখার যেন কেউ নেই। পাঁচ হাতের মধ্যে পাটকাঠি দিয়ে তৈরি একটি কাঁচা ঘরে একটি থালা, কলসি, গ্লাস ও মাটিতে ভেজা রয়েছে বিছানা। খাওয়া দাওয়া সব কিছু ওই টুকু জায়গার মধ্যেই করতে হয় তাকে।

রাখি মন্ডলের ছেলে আনছার মন্ডল জানান, তার মা অসুস্থ্য। ভালভাবে চলাফেরা করতে পারেনা। বিছানায় প্রসাব করে দেয়। তারপরও অনেক বয়স হয়েগেছে। তাই ছুপরি ঘরে রাখা হয়েছে।

এ বিষয়ে গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.তমাল হোসেন জানান, অবলিম্বে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

 


আরপি/ এমএএইচ-১২

 

ছবি: সংগৃহীত

বাসে শিক্ষার্থীদের জন্য হাফ পাস চালুর বিষয়ে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ও অংশীজনদের মধ্যে সিদ্ধান্ত ছাড়াই বৈঠক শেষ হয়েছে। আপাতত মালিকরা হাফ পাসে রাজি নন বলেই জানিয়েছেন তারা।

বৃহস্পতিবার (২৫ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে বনানীতে বিআরটিএর প্রধান দফতরে সভা শুরু হয়ে দেড় ঘণ্টার মধ্যেই বৈঠক শেষ হয়ে যায়।

বৈঠকে বাস মালিকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বেসরকারি বাসে সরকার ভর্তুকি দিচ্ছে না। যানজটে সড়কে ট্রিপ কমে গেছে। টায়ারসহ বাসের বিভিন্ন যন্ত্রাংশের দাম বেড়ে গেছে। এ অবস্থায় ঢাকাসহ বিভিন্ন মহানগরে শিক্ষার্থীদের জন্য হাফ পাস চালু করা হলে বাসমালিকদের লোকসান গুনতে হবে।

এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির নেতারা নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা করে বাসে হাফ পাসের বিষয়ে তাদের একটি প্রস্তাব সরকারের কাছে তুলে ধরবে।

বৈঠক শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের এ তথ্য জানান সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মো. নজরুল ইসলাম।

মো. নজরুল ইসলাম বলেন, আমরা পরিবহন মালিক সমিতিকে নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা করে একটি যুক্তিসঙ্গত প্রস্তাব দেওয়ার জন্য বলেছি। তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে এ প্রস্তাব আমাদের কাছে দেবেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিকে বলা হয়েছে, তারাও তাদের একটি প্রস্তাব আমাদের কাছে দেবেন। সব পক্ষ দ্রুত প্রস্তাব জমা দেবে।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকা মহানগরে শিক্ষার্থীরা বাসে হাফ ভাড়ার দাবিতে আন্দোলন করছেন। তাদের এই দাবির প্রতি গুরুত্ব দিয়ে সরকার এই সমস্যা সমাধানের জন্য আন্তরিক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

বিআরটিসি তাদের বাসে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি সুবিধা দেবে। কারণ তাদের নতুন বাস যুক্ত হয়েছে। এ বিষয়ে বিআরটিসি প্রতিনিধি বৈঠকে সম্মত হয়েছেন। এ নিয়ে শুক্রবার সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বক্তব্য দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সরকার শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি বিশেষভাবে গুরুত্ব দিচ্ছে বলেই আজ আমরা বৈঠক করেছি। বেসরকারি বাসে অর্ধেক ভাড়ার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত আমরা চাপিয়ে দিতে পারি না। কারণ বাসে কত শতাংশ ভাড়া ছাড় দিতে হবে আমরা আজ সেই সিদ্ধান্ত দেওয়ার পর বাস মালিকরা ধর্মঘট ডাকতে পারেন। তাতে জনদুর্ভোগ বাড়বে।

সভায় জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব, কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সচিব, আইজিপি, পরিবহন মালিক সমিতির প্রতিনিধি, শ্রমিক ফেডারেশনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

 


আরপি/ এমএএইচ-১১



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

Top