রাজশাহী সোমবার, ১৭ই জুন ২০২৪, ৩রা আষাঢ় ১৪৩১


রংপুরবাসী আর ভুল করবে না: নৌকার প্রার্থী ডালিয়া


প্রকাশিত:
২৭ ডিসেম্বর ২০২২ ২১:৪২

আপডেট:
১৭ জুন ২০২৪ ০৪:৫৪

ছবি: সংগৃহীত

উন্নয়নের স্বার্থে রংপুরবাসী আর ভুল করবে না, উন্নয়নের প্রতীক নৌকাকে বিজয়ী করবে বলে মন্তব্য করেছেন রংপুর সিটি করপোরেশন (রসিক) নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী অ্যাডভোকেট হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া। ভোট সুষ্ঠু হচ্ছে জানিয়ে জয়ের ব্যাপারে তিনি শতভাগ আশা প্রকাশ করেন।

মঙ্গলবার (২৭ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে নগরীর লায়ন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দিয়ে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন।

নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে নৌকার প্রার্থী বলেন, ‘ভোটের পরিবেশ চমৎকার রয়েছে। উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে নগরবাসী ভোট দিতে কেন্দ্রে আসছেন। জয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদী। রংপুরের মানুষ আর ভুল করবে না। উন্নয়নের স্বার্থে নৌকায় ভোট দেবে।’

নৌকার প্রার্থী বলেন, ‘বিজয়ী হয়ে আমি নগরবাসীকে দেওয়া ইশতেহারগুলো বাস্তবায়ন করে একটি তিলোত্তমা নগরী হিসেবে রংপুর সিটি করপোরেশনকে গড়ে তুলবো।’

মঙ্গলবার (২৭ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টায় মহানগর এলাকায় মোট ২২৯টি ভোটকেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট চলবে। সবগুলো কেন্দ্রেই ইভিএমে ভোটগ্রহণ করা হচ্ছে।

সকালে ভোট শুরু সময় ভোটারদের কেন্দ্রে লাইন ধরে দাঁড়িয়ে ভোটের জন্য অপেক্ষা করতে দেখা যায়। পাশাপাশি প্রার্থীদের সমর্থকদের ব্যাজ পরা লোকদের কেন্দ্রের বাইরে জড়ো হতে দেখা গেছে। এছাড়াও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জোরালো উপস্থিতি দেখা গেছে।

এবার রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মোট ভোটার চার লাখ ২৬ হাজার ৪৭০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার দুই লাখ ১২ হাজার ৩০২ এবং নারী ভোটার দুই লাখ ১৪ হাজার ১৬৭ জন এবং হিজড়া ভোটার একজন।

২২৯টি কেন্দ্রে ইভিএমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নির্বাচনে মেয়র পদে নয়জন এবং ৩৩টি ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৮৩ জন ও ১১টি সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৬৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

নির্বাচনে মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে পুলিশ, এপিবিএন ও ব্যাটালিয়ন আনসার সমন্বয়ে প্রতিটি সাধারণ ওয়ার্ডে একটি মোবাইল ফোর্স মোতায়েন আছে। এছাড়া প্রতি তিনটি সাধারণ ওয়ার্ডে একটি স্ট্রাইকিং ফোর্স এবং প্রতি থানায় একটি করে রিজার্ভ স্ট্রাইকিং ফোর্স সেই সাথে প্রতি দুটি সাধারণ ওয়ার্ডে একটি করে র‌্যাবের টিম থাকবে।

স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে ভোটকেন্দ্রের বাইরে র‌্যাব/পুলিশের টিম আর গুরুত্বপূর্ণ বা ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে চারজন অস্ত্রসহ পুলিশ (একজন এসআই/এএসআই ও তিনজন কনস্টেবল), দুইজন অস্ত্রসহ অঙ্গীভূত আনসার ও ১০ জন লাঠিসহ অঙ্গীভূত আনসার/ভিডিপি সদস্য (৪ জন মহিলা ও ছয়জন পুরুষ) মোতায়েন থাকবে। এছাড়া ৩৩টি সাধারণ ওয়ার্ডে ৩৩ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ১৬ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন।

 

 

আরপি/এসআর-০৩



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

Top