রাজশাহী শনিবার, ১৩ই এপ্রিল ২০২৪, ১লা বৈশাখ ১৪৩১


‘গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্যই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন’


প্রকাশিত:
১ জুন ২০২২ ০২:৫৬

আপডেট:
১৩ এপ্রিল ২০২৪ ০৬:৪৪

ছবি: সংলাপ

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সংবিধানে সংযোজন করে দিয়ে গেছেন সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন গণমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব করার জন্য করা হয়নি।

মঙ্গলবার (৩১ মে) সচিবালয়ের গণমাধ্যম কেন্দ্রে আইন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও ডাটা সুরক্ষা আইন-বিষয়ে ‘বিএসআরএফ সংলাপ’-এ তিনি একথা বলেন।

বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) এ আয়োজন করে। বিএসআরএফ সভাপতি তপন বিশ্বাসের সভাপতিত্ব করেন এবং সাধারণ সম্পাদক মাসউদুল হক সংলাপ সঞ্চালনা করেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সংবিধানে সংযোজন করে দিয়ে গেছেন সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য, যেটা অনেক গণতান্ত্রিক দেশের সংবিধানে নেই। বঙ্গবন্ধু এটা সংবিধানে মৌলিক অধিকার হিসেবে সংযোজন করে দিয়ে গেছেন। তার কন্যার সরকার এমন কোনো আইন করবেন না, যাতে বাক-স্বাধীনতা বা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ব্যাহত হয়। আমরা সেটা করিনি।

তিনি আরও বলেন, প্রযুক্তির উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে কিছু সমস্যারও সৃষ্টি হয়েছে। সেসব সমস্যা হলো সাইবার ক্রাইম। আমাদের এই সাইবার ক্রাইম মোকাবেলা করতে হবে। অনেক অপরাধ আছে যেগুলো আর ফিজিক্যালি করা হয় না, কম্পিউটারের মাধ্যমে করা হয়। সেটার বিচার করা হবে কীভাবে? সে জন্য তো একটা আইন করতে হবে। আমরা সে জন্য ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট করেছি। আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে বসেছি এবং বলেছি আগে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টে মামলা হলে সঙ্গে সঙ্গে গ্রেফতার করা হতো। এখন এই আইনে মামলা করার সঙ্গে সঙ্গে যাতে কাউকে গ্রেফতার না করা হয়।

মন্ত্রী বলেন, এই প্রেক্ষিতে ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে আমি জাতিসংঘের হাই কমিশন ফর হিউম্যান রাইটস এর বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বসলাম। তাদের বিশেষজ্ঞদের সাথে আমাদের বিশেষজ্ঞদের বৈঠকের ব্যবস্থা করে এই আইনের সুন্দর চর্চা কীভাবে করা যায় তা খুঁজে বের করতে। এর আগে ৫৭ ধারার জন্য একটি বিশেষ সেল ছিল। ওই ধারায় কোনও মামলা হলে তা আগে সেই সেল দেখবে। এরপর সেল যদি মনে করে যে অপরাধের ধরন মামলা হওয়ার মতো, তাহলে মামলাটা হবে, না হলে হবে না।

 

আরপি/এসআর-০৩



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

Top