রাজশাহী সোমবার, ১২ই জানুয়ারী ২০২৬, ২৯শে পৌষ ১৪৩২


ইতালির প্রধানমন্ত্রী মারিও দ্রাঘি


প্রকাশিত:
১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ১৮:১৯

আপডেট:
১২ জানুয়ারী ২০২৬ ০২:৪২

সংগৃহীত

ইতালির নতুন প্রধানমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। ইউরোপিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাংকের সাবেক প্রধান মারিও দ্রাঘি দেশটির নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। শনিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) শপথ নেবেন তিনি।

ইতালির রাষ্ট্রপতি সার্জিও মাত্তারেলার সঙ্গে সাক্ষাতের পর তার মন্ত্রিসভার নাম ঘোষণা করেছেন। দেশটির প্রায় সব রাজনৈতিক দলই তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সমর্থন জানিয়েছেন।

এর আগে গত মাসে জুসেপ্পে কন্তে সরকারের পতন ঘটে। ইতালি এখনও করোনা মহামারির সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। কয়েক দশকের মধ্যে দেশটি সবচেয়ে খারাপ অর্থনৈতিক সঙ্কটের মুখোমুখি। করোনায় ৯৩ হাজারের বেশি ইতালিয়ানের মৃত্যু হয়েছে। যা করোনায় মৃত্যুর দিক থেকে বিশ্বে ষষ্ঠ।

ইতালির পার্লামেন্টের বৃহৎ গ্রুপ ফাইভ স্টার মুভমেন্টের সমর্থন পাওয়ায় তার রাজনৈতিক জীবন ভালই কাটবে বলে মনে করা হচ্ছে। এ সমর্থন তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বেশ সুবিধা দেবে। ফাইভ স্টার মুভমেন্টের শীর্ষ ব্যক্তিত্ব লুইজি দি মাইও পররাষ্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। এছাড়াও কট্টর ডানপন্থী লীগ পার্টির জনপ্রিয় মুখ জিয়ানকার্লো জর্জেটি শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন। আর মধ্য বামপন্থী ডেমোক্রেটিক পার্টির আন্ড্রেয়া অরল্যান্ডো শ্রমমন্ত্রীর দায়িত্ব পাবেন বলে জানা গেছে।

ইউরোপের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও ব্যাংক অব ইতালির সাবেক গভর্নর মারিও দ্রাঘিকে বেশ সুবিধাজনক অবস্থা রেখেছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাত্তেও রেঞ্জি গত সপ্তাহে বিবিসিকে বলেছিলেন, দ্রাঘি এমন একজন ইতালিয়ান যিনি ইউরোপকে রক্ষা করেছিলেন। এবার তিনি ইতালিকেও রক্ষা করবেন।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের করোনাভাইরাস পুনরুদ্ধার তহবিল কীভাবে ব্যয় করা হবে তা নিয়ে পূর্ববর্তী প্রধানমন্ত্রী জুসেপ্পে কন্তের দল জোট সরকারের সমর্থন হারানোর পর জানুয়ারিতে পদত্যাগ করেন তিনি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইতালিতে ৬৭তম সরকারের যাত্রা শুরু হলো।

দ্রাঘি সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হলো মহামারি থেকে পুনর্র্নিমাণের জন্য ইইউ থেকে পাওয়া ২০০ বিলিয়ন ইউরো (১৭৫ বিলিয়ন পাউন্ড বা ২৪০ বিলিয়ন ডলার) তহবিলের কিভাবে ব্যয় করবে তা নিয়ে কাজ করা।

‘সুপার মারিও’হিসেবে পরিচিত দ্রাঘি ইতালিয়ানদের সমর্থন পাবেন বলেই ধরে নেওয়া হচ্ছে। তবে ইতালির বিভক্ত ও অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তার সরকার কত কতদিন দায়িত্ব পালন করতে পারেন তা সময়ই বলে দেবে।

আরপি / এমবি-৪



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

Top