যুক্তরাষ্ট্রে ১ লক্ষ ১২ হাজার ৯৬ জনের মৃত্যু

যুক্তরাষ্ট্রে করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। জনস হপকিনস বিশ্ববিদ্যালয় শনিবার এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
ওয়ার্ল্ডওমিটারসের হিসেবে, দেশটিতে সব মিলিয়ে বৈশ্বিক মহামারীতে এক লাখ ১২ হাজার ৯৬ জন মারা গেছেন। যুক্তরাষ্ট্রে এখন পর্যন্ত ১৯ লাখ ৮৮ হাজার ৫৪৪ জন লোক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।
এখন পর্যন্ত সাত লাখ ৫১ হাজার ৮৯৪ মার্কিন নাগরিক এই অতিসংক্রামক রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর সেরে উঠেছেন। কোভিড-১৯ ভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃত্যুর দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের যে কোনো দেশের তুলনায় এগিয়ে।
শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র করোনা মহামারীর শেষ পর্যায়ে। কাজেই লকডাউনের পদক্ষেপ উঠিয়ে নিতে তিনি বিভিন্ন রাজ্যের গভর্নরদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জর্জ ফ্লয়েডকে হত্যার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বিক্ষোভ ও সমাবেশের কারণে নতুন করে করোনা সংক্রমণ আরও বাড়তে পারে।
এদিকে ব্রাজিল-ভারতে নতুন করোনাভাইরাস সংক্রমণ বাড়ছেই। ইতিমধ্যে বিশ্বে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৭০ লাখ ছাড়িয়েছে।
রয়টার্স জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে এ ভাইরাসে মৃত্যুর সংখ্যা চার লাখের কাছাকাছি রয়েছে।
বলা হয়, এ ভাইরাসে আক্রান্তদের প্রায় ৩০ শতাংশ বা ২০ লাখ সংক্রমণ ঘটেছে শুধু যুক্তরাষ্ট্রে। দ্বিতীয় অবস্থানে পৌঁছে গেছে যুক্তরাষ্ট্র, মোট আক্রান্তের ১৫ শতাংশের বেশি ওই অঞ্চলের।
মহামারীতে সারাবিশ্বে যত মানুষের মৃত্যু হয়েছে, তাদের এক-চতুর্থাংশ হয়েছে আমেরিকায়। তবে দক্ষিণ আমেরিকায়ও মৃতের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে।
রয়টার্স বলছে, নতুন করোনাভাইরাস দেখা দেয়ার পর পাঁচ মাসে এই রোগে যত মানুষের মৃত্যু হয়েছে তা বিশ্বের সবচেয়ে প্রাণঘাতী সংক্রামক ব্যাধির একটি ম্যালেরিয়ায় বছরে মোট মৃত্যুর সমান।
করোনাভাইরাসে প্রথম মৃত্যুর খবর পাওয়া যায় গত ১০ জানুয়ারি চীনের উহানে। এই রোগে মৃত্যুর সংখ্যা এক লাখে পৌঁছায় এপ্রিলের প্রথম দিকে। সেখানে মৃত্যুর সংখ্যা তিন থেকে চার লাখে পৌঁছাতে সময় লাগছে মাত্র ২৩ দিন।
যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে; প্রায় এক লাখ ১০ হাজার। এখন ব্রাজিলে মৃত্যুর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে এবং তারা প্রাণহানিতে যুক্তরাজ্যকে পেছনে ফেলে দ্বিতীয় অবস্থানে চলে যেতে পারে।
করোনাভাইরাস আক্রান্ত দেশগুলোর সরকারের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ হিসাব দিয়েছে রয়টার্স।
আরপি/এমএএইচ-১২
আপনার মূল্যবান মতামত দিন: