চীনা ঋণের ফাঁদ নিয়ে বিশ্বব্যাপী বিতর্ক

চীনা ঋণ ফাঁদ নীতি নিয়ে উদ্বেগ জন্মেছে অনেকের মনে। সম্প্রতি দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশে বেইজিংয়ের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই) প্রকল্পের বিপদ নিয়ে একটি শক্তিশালী আন্তর্জাতিক বিতর্ক চলছে। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম লেটেস্টলির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি চীনের ঋণের কারণে শ্রীলঙ্কায় বর্তমান আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক পতন গোটা বিশ্ব দেখেছে। ২০২২ সালের এপ্রিলে খেলাপি হওয়ার পরে শ্রীলঙ্কার ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সঙ্কট দেশটিকে খারাপ অবস্থায় ফেলেছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল ঋণ বিতরণ শুরু করার আগে দ্বীপরাষ্ট্রটি এখন তার ঋণ পুনর্গঠন করার চেষ্টা করছে।
আমেরিকান রাজনীতিবিদ জন অ্যাডামস বলেছিলেন, 'একটি দেশকে জয় করার ও দাসত্ব করার দুটি উপায় রয়েছে: একটি হলো তলোয়ার দ্বারা, অন্যটি হলো ঋণ'।
শীর্ষ মার্কিন রাজনৈতিক ওয়েবসাইট দ্য হিলে ব্রহ্মা চেলানি লিখেছেন, চীন দ্বিতীয় পথ বেছে নিয়েছে। ঔপনিবেশিক যুগের অনুশীলনগুলো গ্রহণ করেছে এবং দ্রুত বিশ্বের বৃহত্তম সরকারী ঋণদাতা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
মধ্য এশিয়ায় চীনের প্রভাব নিঃশব্দে আরও ব্যাপকভাবে প্রসারিত হচ্ছে। ২০০০ সাল থেকে বেইজিং মধ্য এশিয়ায় তার ঋণ কার্যক্রম প্রসারিত করছে। চীনের ঋণের সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য রয়েছে। বেইজিং শুধুমাত্র সেইসব প্রকল্পের জন্য ঋণ প্রদান করে যা চীনা পণ্যের বাজার সম্প্রসারণ ও সম্পদ হস্তান্তরের অনুমতি দেয়।
মধ্য এশিয়া চীনের পররাষ্ট্রনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে বসে। কোনো সম্প্রসারণবাদী উচ্চাকাঙ্ক্ষার কারণে নয় বরং এটি জিনজিয়াংয়ের অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জের সম্প্রসারণ মাত্র।
আরপি/ এসএইচ ০৮
আপনার মূল্যবান মতামত দিন: