প্রচণ্ড গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা, হতে পারে হিটস্ট্রোক!

একে তো করোনার সময়। তার ওপর প্রচণ্ড গরমে জনজীবন অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। বাইরে যারাই যাচ্ছে, ঘরে ফেরার পর যেন তাকানো যাচ্ছে না। গায়ের রং তামাটে হয়ে গেছে। চোখে মুখে ক্লান্তির ছাপ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন এই গরমে সচেতন না থাকলে হতে পারে হিটস্ট্রোক।
শরীরের তাপমাত্রা ১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট ছাড়িয়ে গেলে হিটস্ট্রোক হয়।এ অবস্থায় শরীরের ঘাম বন্ধ হয়ে যায় এবং অনেক সময় মানুষ অজ্ঞান হয়ে পড়ে, এমনকি হতে পারে মৃত্যুও।
হিটস্ট্রোকের লক্ষণ
>> শরীর প্রচণ্ড ঘামতে শুরু করে আবার হঠাৎ করে ঘাম বন্ধ হয়ে যায়
>> নিঃশ্বাস দ্রুত হয়
>> নাড়ির অস্বাভাবিক স্পন্দন হওয়া অর্থাৎ হঠাৎ ক্ষীণ ও দ্রুত হয়
>> রক্তচাপ কমে যায়
>> প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যায়
>> হাত পা কাঁপা, শরীরে খিঁচুনি হয়
>> মাথা ঝিমঝিম করা
>> তীব্র মাথাব্যথা
>> কথা-বার্তায় অসংলগ্ন ।
স্ট্রোকের লক্ষণ দেখা দিলে
>> হিটস্ট্রোকের লক্ষণ দেখা দিলেই প্রথমে শরীরের তাপ কমানোর জন্য ঠাণ্ডা বরফ পানি দিয়ে শরীর মুছে দিন
>> আক্রান্ত ব্যক্তিকে শীতল পরিবেশে নিয়ে আসুন
>> শরীরের কাপড় যথাসম্ভব খুলে নিন
>> প্রচুর ঠাণ্ডা পানি, ফলের শরবত অথবা স্যালাইন পান করতে দিন
>> হিটস্ট্রোক হয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেললে যত দ্রুত সম্ভব স্থানীয় হাসপাতালে নিতে হবে।
যেকোনো বয়সেই হিটস্ট্রোক হতে পারে। তাই এই গরমে সুস্থ থাকতে নিয়মিত দিনে দুইবার গোসল করুন। খাবারে প্রচুর শাক-সবজি আর টাটকা দেশি ফল রাখুন।
চিকিৎসকদের মতে রোদে বেরোতে হলে হাল্কা পোশাক, টুপি বা রোদ চশমা পরা উচিত। করোনার জন্য মাস্ক ব্যবহার করতে হয়। এতে করে বেশি অস্বস্তিবোধ করতে পারেন।
আরপি/ এসআই
বিষয়: হিটস্ট্রোক গরমে হাঁসফাঁস মাস্ক
আপনার মূল্যবান মতামত দিন: