রাজশাহী সোমবার, ৬ই ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২৫শে মাঘ ১৪২৯


রাজশাহী কলেজে দর্শন বিভাগের চড়ুইভাতি


প্রকাশিত:
২১ জানুয়ারী ২০২৩ ১৮:৩৫

আপডেট:
২১ জানুয়ারী ২০২৩ ১৮:৪৬

রাজশাহী কলেজে দর্শন বিভাগের চড়ুইভাতিতে বক্তব্য রাখছেন কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মহাঃ আব্দুল খালেক

বন বাদাড়ে চড়ুই পাখিদের কিচিরমিচির ডাকের ছন্দে সংগৃহীত খাবার একসঙ্গে খাওয়া থেকে হয়তো চড়ুইভাতি শব্দের উৎপত্তি। শিশুদের সংগ্রহ করা চাল ডালে রাঁধা খাবার খাওয়াই হচ্ছে চড়ুইভাতি। পৌষ মাসে একদল কিশোর-তরুণ বাড়ি থেকে চাল-ডাল ডিম হাঁড়ি-পাতিল নিয়ে কোন খোলা জায়গায় অথবা গাছের নিচে বসে রান্না করে খাওয়ার প্রচলন ছিল। তবে এবার দেশসেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রাজশাহী কলেজে প্রাপ্তবয়স্কদের মিলনমেলা দেখা গেলো। কলেজের দর্শন বিভাগের চড়ুইভাতি যেন এক কনকনে ঠান্ডায় সূর্যের কড়া রোদের প্রশান্তি।

শনিবার (২১ জানুয়ারি) কলেজ ক্যাম্পাস রাষ্ট্র বিজ্ঞান ভবনের সামনের মাঠে এই আনন্দ উৎসবের আয়োজন করা হয়। সময়ের সাথে পাল্লা দিতে হারিয়ে যাওয়া বন্ধুরা মিলিত হয়ে নাচে-গানে মেতে ওঠে। দিনব্যাপী সেলফি আর খোসগল্পে মাতোয়ারা সব যেন বাঁধনহারা পখি!

দর্শন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক রাজিয়া সুলতানার সভাপতিত্বে প্রদান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মহাঃ আব্দুল খালেক ও বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন প্রফেসর মোহাঃ ওলিউর রহমান। এছাড়া দর্শন বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর মাহমুদা খাতুন, শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক প্রফেসর আব্দুল্লাহ আল মাহমুদসহ শিক্ষকবৃন্দ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কলেজের অধ্যক্ষ বলেন, সাধারণত আমার এই ধরনের অনুষ্ঠানগুলো বর্ষভিত্তিকভাবে দেখি। কিন্তু দর্শন বিভাগ একটি ব্যতিক্রমী আয়োজন করেছে। সকাল থেকে আমি সবার মাঝে একটি আনন্দ উল্লাস দেখতে পাচ্ছি। এমন মিলনমেলা সবার মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধন শক্ত করবে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য করে বলেন, আনন্দ উল্লাসের সঙ্গে আমাদের মূল উদ্দেশ্য ঠিক রাখতে হবে। আমাদের পড়াশোনা করে সত্যি কারের মানুষ হতে হবে।

এরপর অধ্যক্ষ এথিকস ক্লাবের নতুন ২৯ জন বিশিষ্ট কমিটির নাম ঘোষণা করেন ও শুভ কামনা জানান।

এরপরে এথিকস ক্লাবের সভাপতি আসাদুজ্জামান অনিক বক্তব্যে বলেন, গত ২০২২ সালের ২২ জানুয়ারি আমাদের কমিটি গঠন হয়েছিল আর আজ ২১ জানুয়ারি ২০২৩। আজ ঠিক ১ বছরের মাথায় আমরা এরকম একটি বড় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কমিটি হস্তান্তর করতে পেরে আনন্দিত। আমি বিশ্বাস করি শিক্ষার্থীরা চাইলেই অনেক পরিবর্তন সম্ভব। আমি প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য হিসেবে এই পর্যন্ত আসতে পেরে গর্বিত এবং প্রাণপ্রিয় এথিকস ক্লাবের সফলতা কামনা করছি। আমি এই মূহুর্ত থেকে নিজের দায়িত্ব হস্তান্তর করে নিজে অব্যহতি গ্রহণ করছি।

মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর থাকে শিক্ষার্থীদের নিয়ে গান ও নাচের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সন্ধ্যার পরে অতিথি শিল্পীদের পরিবেশনায় হয় গানের অন্ষ্ঠুান। সবশেষে প্রীতিভোজ ও র‌্যাফেল ড্রর মধ্যদিয়ে শেষ হয় দিনব্যাপী আনন্দ আয়োজন।

 


বিষয়:


আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

Top