নগরীতে করোনার জাল সার্টিফিকেট বিক্রি চক্রের গ্রেফতার তিন

মাত্র তিন হাজার টাকায় মিলতো করোনার ভূয়া সনদ। তাদের লক্ষ্যই ছিল ভূয়া সনদপত্র ধরিয়ে দিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয়া। এমনই করোনার ভুয়া নেগেটিভ সনদ দেয়ার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ বলছে, তারা প্রতারক চক্র।
রাজশাহী মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ বুধবার বিকেলে তাদের গ্রেপ্তার করলেও বিষয়টি বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমকে জানানো হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন, তারেক আহসান এবং রফিকুল ইসলাম ও তার স্ত্রী সামসুন্নাহার শিখা। নগরীর হেতেমখাঁ কলাবাগান এলাকায় তাদের বাড়ি।
রাজশাহী মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনার আরেফিন জুয়েল জানান, সিভিল সার্জন অফিসকে কেন্দ্র করে এই প্রতারক চক্রটি গড়ে ওঠে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা মূলত বিদেশগামীদের করোনা নেগেটিভ সনদ তৈরি করে দেয়।
তিনি আরও বলেন, বিদেশগামীদের সাধারণত ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে করোনা টেস্টের রিপোর্টের প্রয়োজন হয়। এই চক্র এ রকম ব্যক্তিদের ফোন করে জানায় যে, করোনা রিপোর্ট পজেটিভ এসেছে। তারা নেগেটিভ সনদ তৈরি করে দিতে পারবে।
উপকমিশনার আরও বলেন, আগ্রহীরা এই প্রস্তাবে সাড়া দিলে ৩ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত তাদের কাছ থেকে আদায় করে দেয়া হয় করোনা নেগেটিভ সনদ। অথচ সার্টিফিকেট সত্যিকার অর্থে নেগেটিভই ছিল। মূলত চক্রকে কোনো টাকা না দিলেও ভুক্তভোগী ব্যক্তি করোনা নেগেটিভেরই রিপোর্ট পেতেন। বিদেশগামীসহ অন্যরা দ্রুত সময়ে করোনার রিপোর্ট পাওয়ার জন্য ওই চক্রের হাতে টাকা তুলে দিতেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশ অভিযান চালিয়ে চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা। চক্রের আরও দুই সদস্যকে খোঁজা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
আরপি/এসআর-১০
আপনার মূল্যবান মতামত দিন: