গরুর লাম্পি স্কিন ডিজিজে বিপাকে খামারিরা

ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলাসহ আরও কয়েকটি উপজেলায় গবাদিপশুর লাম্পি স্কিন ডিজিজে চার হাজার গরু আক্রান্ত হয়েছে। এতে বিপাকে পড়েছেন খামারিরা।
গরুর লাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত কয়েকজন পশুপালনকারীর সঙ্গে কথা হলে তারা বলেন, দশ দিন আগে তারা দেখতে পান গরুর সামনের পা গুলো বেশ ফুলার সাথে সাথে গায়ে জ্বর এবং শরীরে বড় বড় গুটি উঠেছে। খেতে না পারায় গরু শুকিয়ে যাচ্ছে। গুটিগুলো গলে গিয়ে ৭ দিন পর সেখানে ঘা হচ্ছে এবং অনবরত তরল পদার্থ নিসৃত হচ্ছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলার পীরগঞ্জ, রানীশংকৈল, বিরল, সেতাবগঞ্জ উপজেলায় এই রোগে বিপুল সংখ্যক গরু আক্রান্ত হয়েছে।
বাঁশগাড়া গ্রামের অতুল রায় বলেন, অনেক দিন ধরে গরু পালন করছি কখনোই এই রোগ দেখিনি।ডাক্তারের কাছে চিকিৎসার জন্য গেলে এই রোগের তেমন চিকিৎসা নাই বলে জানান।
খামারি এস এম আনোয়ার জানান, ভাইরাসজনিত এই রোগে তার খামারের চারটি গরু আক্রান্ত। খুব দ্রুত একটি গরু থেকে অন্য গরু সংক্রমিত হচ্ছে, চিকিৎসা না থাকলেও গরু গুলোর অসহায়ত্বের দিকে তাকিয়ে চিকিৎসা করানো হচ্ছে।
এ বিষয়ে পীরগঞ্জ উপজেলা প্রানী সম্পদ কমকর্তা ডাঃ অমল কুমার রায় বলেন, চার হাজারের মত গরু আক্রান্ত হয়েছে। নতুন এই রোগটির চিকিৎসা আবিষ্কার না হওয়ায় আমরা ইতিমধ্যে গরু পালনকারী এবং খামারিদের এই রোগ সর্ম্পকে সচেতন করছি এছাড়া ভ্রাম্যমান পরামর্শ দান কেন্দ্র পরিচালনা করছি।এই রোগটি একটি ভাইরাস জনিত রোগ যা শুধু মাত্র গরু ও মহিষকে আক্রন্ত করে।
তিনি বলেন, আমাদের দেশে এই রোগটি একেবারে নতুন । ইদানিং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এই রোগে গরু আক্রান্ত হচ্ছে। ভয়ের কোন কারন নাই এই রোগে মানুষ আক্রান্ত হয়না অপর দিকে গবাদী পশুর মৃতুরহার এবারেই কম। না ঘাবড়িয়ে গরুর ঘর পরিষ্কার পরিছন্ন রাখা এবং মশা মাছি নিয়ন্ত্রণে রাোর প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।
আরপি/আআ-২১
আপনার মূল্যবান মতামত দিন: