অবশেষে রাজশাহীর মেসভাড়া ৫০ শতাংশ ছাড়ের ঘোষণা

অবশেষে রাজশাহীর মেসভাড়া মওকুফ না করে অর্ধেক করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের মেসভাড়া মওকুফের দাবিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ব্যাপক আলোচনা হওয়ায় এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মেস মালিকরা বলে জানা গেছে।অবশ্য অনেক মেসমালিক বলছেন, করোনা মহামারিতে মানবিক দৃষ্টিকোন থেকেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের দাবি মার্চের ২২ তারিখ থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত মেসভাড়া মওকুফ করা হোক। নগরীর লাবণী ভিলা ছাত্রাবাসের পরিচালক আব্দুল হাসিব বলেন, আমার মেসে ৫০ জন বর্ডার। করোনার এ পরিস্থিতিতে আমাদের উচিত বর্ডারদের দিকে দেখা।
তিনি আরোও বলেন, মানবিক দৃষ্টিকোন থেকেই সেমভাড়া অর্ধেক করা হলো।তারা যেহেতু থাকছে না সেহেতু তাদের ভাড়া অর্ধেক করা হয়েছে। বর্তমান এপ্রিল মাসের ভাড়া থেকেই তাদের অর্ধেক দিতে হবে।যতদিন পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হবে ততদিন ৫০পার্সেন্ট ছাড় দেওয়া হলো।
এদিকে মামোনি ছাত্রাবাসের মালিক মামুনুল ইসলাম বলেন, আমাদের মসভাড়া অর্ধেক করা হয়েছে।তারা ভাড়া ৫০পার্সেন্ট কম দিয়ে বিকাশে অথবা যেভাবেই হোক টাকা দিয়ে দিক।আমি বলবো ছাত্র- ছাত্রীদের সমস্যার কথা বিবেচনা করে অন্যান্য মেসমালিকরাও ভাড়া অর্ধেক করতে পারেন।
মেস এবং বাড়িভাড়া কমানোর বিষয়ে শিক্ষার্থীরা নিশ্চিত করেছেন। লাবনী ভিলার ভাড়াটিয়া শাকিল আহম্মেদ বলেন, আমাদের মেসভাড়া অর্ধেক করা হয়েছে।যতদিন পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হচ্ছে ততদিন এ ভাড়া দিতে হবে।
নগরীর মামোনি ছাত্রাবাসের ভাড়াটিয়া লিমন জানান, করোনায় আমরা যেহেতু মেসে থাকছি না। সেহেতু অর্ধেক ভাড়া দিচ্ছি। ভাড়া কমানোর বিষয়টি মেসেজ দিয়ে জানিয়েছেন মালিক নিজেই।
ভাড়া অর্ধেক করা বিষয়ে রাজশাহী কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মহা. হবিবুর রহমান বলেন, মেসমালিকদের অবশ্যই সাধুবাদ জানাই।সকল মেসমালিক যেন এই বিষয়টি দেখেন।
এ বিষয়ে রাজশাহী মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি রকি কুমার ঘোষ বলেন, আমি ছাত্র রাজনীতি করি যার কারণে ছাত্রদের বিভিন্ন সমস্যায় পাশে থাকার চেষ্টা করি। করোনয় মেসভাড়া কমানোর জন্য কাজ করছি।এটির একটি স্থায়ী সমাধান করার চেষ্টা চলছে।ছাত্রদের যৌক্তিক দাবিতে আমি পাশে আছি।
এ বিষয়ে রাজশাহী মেস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেনকে একাধিকবার ফোন করলেও মুঠোফোনে পাওয়া যায় নি।
আরপি/ এমএইচ
বিষয়: মেস ভাড়া রাজশাহী মালিক পক্ষ
আপনার মূল্যবান মতামত দিন: