রাজশাহী শুক্রবার, ৪ঠা এপ্রিল ২০২৫, ২১শে চৈত্র ১৪৩১

রাজশাহীতে ১০ টাকা কেজিতে চাল বিক্রি শুরু


প্রকাশিত:
৫ এপ্রিল ২০২০ ২২:৪২

আপডেট:
৫ এপ্রিল ২০২০ ২২:৪৩

রাজশাহীতে ১০ টাকা কেজিতে চাল বিক্রি শুরু

রাজশাহীতে খোলা বাজারে (ওএমএস) ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি শুরু হয়েছে। আজ রোববার (৫ এপ্রিল) মহানগরীর ৩২টি পয়েন্টে এ চাল বিক্রি কার্যক্রম শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে খাদ্য অধিদপ্তর সারাদেশ ব্যাপী বিশেষ ওএমএসের মাধ্যমে চাল ও আটা বিক্রি শুরু করেছে ডিলাররা।

দিনমজুর, রিক্সাচালক, ভ্যানচালক, পরিবহণ শ্রমিক, ফেরিওয়ালা, চায়ের দোকানদার, ভিক্ষুক, ভবঘুরে ও তৃতীয় লিংঙ্গ (হিজরা) দের মাঝে সপ্তাহে তিন দিন রবি, মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার জনপ্রতি সর্বোচ্চ ৫ কেজি করে সপ্তাহে ১ বার এসব খাদ্য সামগ্রী কেনা যাবে।


এদিকে, করোনা আতঙ্কের মাঝে সামাজিক দূরত্ব মেনে পুলিশি নিরাপত্তায় এ চাল কিনতে সাধারণ মানুষজনকে দীর্ঘ লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।


এ বিষয়ে নগরীর হেতম খা এলাকার ডিলার কাজল বলেন, সপ্তাহে তিনদিন ডিলারের মাধ্যমে ১০টাকা কেজি দরে চাল ও ১৮ টাকা কেজি দরে আটা বিক্রি করা হবে। করোনা আতঙ্কের মাঝে সামাজিক দূরত্ব মেনে জনপ্রতি সর্বোচ্চ ৫ কেজি করে সপ্তাহে ১ বার জাতীয় পরিচয় পত্রের মাধ্যমে এসব বিক্রি করা হবে।


এদিকে গতকাল শনিবার রাজশাহী জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. আবদুল হামিদ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ওএমএসের মাধ্যমে চাল ও আটা বিক্রির বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তার ফেসবুক স্টাটাসটি সিল্কসিটি নিউজের পাঠকের কাছে হুবহু তুলে ধরা হলো:

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক খাদ্য মন্ত্রণালয়াধীন খাদ্য অধিদপ্তর আগামীকাল থেকে সারাদেশ ব্যাপী বিশেষ ওএমএসের মাধ্যমে ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি করবে। রাজশাহী মহানগরীতে সপ্তাহে ৩ দিন রবি,মংগল,বৃহস্পতিবার ৩২ টি পয়েন্টে পাওয়া যাবে ১০ টাকা কেজি দরে চাল। জনপ্রতি সর্বোচ্চ ৫ কেজি করে সপ্তাহে ১ বার করে মাসে ২০ কেজি করে চাল ক্রয় করা যাবে। বেশি সংখ্যক ভোক্তাকে সুযোগ দিতে আপনি আপনার প্রাপ্য টুকু বুঝে নিয়ে অন্যকে সুযোগ দিবেন সেই প্রত্যাশা রইল ভোক্তাদের প্রতি।
ভোক্তার শ্রেণীঃ
দিনমজুর, রিক্সাচালক, ভ্যানচালক, পরিবহণ শ্রমিক, ফেরিওয়ালা, চায়ের দোকানদার, ভিক্ষুক, ভবঘুরে, তৃতীয় লিংগ (হিজরা)
ভোক্তাদের করণীয়ঃ
১. জাতীয় পরিচয় পত্র প্রদর্শন করা।
২. স্বাস্থ্য বিধি মেনে সুশৃঙ্খল ভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে চাল সংগ্রহ করা।
এই বিশেষ ওএমএস কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে খাদ্য বিভাগের পাশাপাশি জেলা প্রশাসনের তদারকিও থাকবে।

 

আরপি/ এআর



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

Top