করোনা আক্রান্তদের শনাক্ত করতে পারবে সিগমাইন্ডের এআই প্রযুক্তি

করোনাভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তিদের আলাদা করে শনাক্ত করতে পারবে দেশি প্রতিষ্ঠান সিগমাইন্ডের এআই প্রযুক্তি।
সাধারণত ফেইস রিকগনিশন প্রযুক্তি দিয়ে মুখো বা মাস্ক পরা কাউকে খুঁজে পাওয়া সম্ভব হয় না। কিন্তু সিগমাইন্ডের উদ্ভাবিত এআই প্রযুক্তির ‘ওয়াচক্যাম মাস সার্ভিলেন্স সিস্টেম’ মুখোশ পরা নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে চিহ্নিত করেতে পারবে। ফলে সিসিটিভি ক্যামেরায় নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের শনাক্ত করা যাবে।
তাদের প্রযুক্তি দিয়ে কারো মুখে মুখোশ আছে কিনা শনাক্ত করে সে অনুযায়ী সতর্ক করতে পারবে। মুখোশ থাকলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে তার চেহারা উন্মোচন করার চেষ্টা করবে। ডেটাবেইজ থেকে দ্রুত তার পরিচয় খুঁজে বের করবে।
কোয়ারেন্টাইন বা আইসোলেশনে থাকা ব্যক্তিরা মুখোশ পরে ঘোরাফেরা করলে তাদের শনাক্ত করতে পারবে।
ভিডিও ফুটেজ থেকে কন্টাক্ট ট্রেসিং করে তালিকা দিতে পারবে এবং জনসমাগম হয় এমন স্থানে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে স্বয়ংক্রিয় নজরদারী চালাতে পারবে।
প্রতিষ্ঠানটি বলছে, করোনাভাইরাস প্রতিরোধে এখন দরকার সামাজিক দূরত্ব মেনে জন সংস্পর্শ এড়িয়ে চলা। দেশের এতো পরিমাণ মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করা ও নজরদারী করা কঠিন। তাই যদি সিস্টেম অটোমেশন করা যায় তাহলে ‘ওয়াচক্যাম মাস সার্ভিলেন্স সিস্টেম’ হতে পারে অন্যতম উপায়।
দেশিও স্টার্টআপ সিগমাইন্ডের চেয়ারম্যান আবু আনাস শুভম বলেন, মুখোশ পরা ব্যক্তি শনাক্তকরণের প্রযুক্তি নিয়ে আমরা কাজ শুরু করি গত বছর থেকে। সেটা যে এত তাড়াতাড়ি এভাবে প্রয়োজন হয়ে পড়বে তা ভাবিনি।
তিনি জানান, তদের প্রযুক্তিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে ৮৭ দশমিক ৩ শতাংশ ক্ষেত্রে সঠিক তথ্য দিতে সক্ষম এবং ৯৯ দশমিক ৪ শতাংশ ক্ষেত্রে মুখোশ ছাড়া ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে পারে।
এছারাও সফটওয়ারটি ব্যক্তির বয়স, লিঙ্গ, পরিধেয় পোষাকের রঙসহ নানান তথ্য নিজের মতো করে সংরক্ষণ করে।
প্রতিষ্ঠানটি ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভির তাবাসসুম বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সব দেশের সরকারই চাইছে নাগরিকদের আরো কঠোর ভাবে নজরদারী করতে, যা আমাদের এই প্রযুক্তি সুবিধা ব্যবহার করে সহজেই করা সম্ভব। ইতোমধ্যে বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি সংস্থা সিগমাইন্ডের প্রযুক্তি ব্যবহার করছে।
সিগমাইন্ড ২০১৭ সাল থেকে দেশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে কাজ করে আসছে।
বিষয়: করোনাভাইরাস
আপনার মূল্যবান মতামত দিন: